Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Mamata Banerjee

হাই কোর্টে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে একযোগে সওয়াল বাম-তৃণমূলের! কী বলছেন বিকাশ?

প্রধান বিচারপতির এজলাসে উত্তরপ্রদেশের প্রসঙ্গ টেনে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সওয়াল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

Advertisement
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২৬, ১৮:১৯

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২৬, ১৮:১৯

options
link
হাই কোর্টে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে একযোগে সওয়াল বাম-তৃণমূলের! কী বলছেন বিকাশ? zoom
ফাইল ছবি।

ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় বিজেপির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে জোর সওয়াল বাম এবং তৃণমূলের! আজ, বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের এজলাসে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার শুনানি ছিল। সেই মামলায় সওয়াল করতেই এদিন সকালেই কালো শামলা পরে হাই কোর্টে পৌঁছে যান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধান বিচারপতির এজলাসে উত্তরপ্রদেশের প্রসঙ্গ টেনে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সওয়াল করেন তিনি। বলেন, এটা উত্তরপ্রদেশ নয়, বাংলা। ফলে বাংলার মানুষকে বাঁচান। এরপরেই অপর একটি মামলায় সওয়াল করেন বামনেতা তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, নিউ মার্কেট এলাকায় হকারদের অস্থায়ী দোকান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এদের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হোক। এরপরেই প্রশ্ন ওঠে তাহলে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়েই কী সওয়াল করেছেন বামনেতা। যদিও এই বিষয়ে বিকাশের দাবি, এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান বিচারপতির ঘরে দুটি মামলা ছিল। আমি আমার মামলায় সওয়াল করেছি। এরপর চলে যাই। পরের মামলাটি ছিল তৃণমূলের। সেই মামলায় সওয়াল করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে মামলার ক্ষেত্রে ঐক্যে প্রশ্নই আসে না।

নির্বাচনের পর তৃণমূল কার্যালয়ে ও কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন জেলা থেকে সেই অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকে একাধিক বিজেপি নেতাকর্মীও আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকী দু’জন বিজেপি কর্মীর ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে বলেও অভিযোগ। আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে কড়া হাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে বিজেপি সরকার। এরমধ্যেই ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টে একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। সেই মামলায় প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের এজলাসে অংশ নেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সওয়াল করতে গিয়ে প্রথমেই প্রধান বিচারপতির কাছে অনুমতি চেয়ে বলেন, ”আমি ১৯৮৫ সাল থেকে আইনজীবী। এবং সেই হিসাবেই আমি সওয়াল করতে চাই।” এরপরেই একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

আদালতে তাঁর অভিযোগ, ৯২ বছরের বৃদ্ধ, ১৮ বছরের দম্পতিকেও বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। তপশিলি জাতি, সংখ্যালঘুদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁকেও বাড়ি থেকে বেরিয়ে পুলিশের কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর দাবি, অনলাইনে অভিযোগ জানাতে হচ্ছে। এরপরেই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাতর আর্জি, দয়া করে রাজ্যের মানুষকে নিরাপত্তা দিন। যদিও পালটা এই মামলা পুরানো ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের মামলার সঙ্গে যুক্ত করে বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠিয়ে দেওয়ার আবেদন জানান পুলিশের আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী। শুধু তাই নয়, কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে। কেউ অপরাধ করে থাকলে পুলিশ নিশ্চয় ব্যবস্থা নেবে।

অন্যদিকে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দায়ের করা নিউ মার্কেট সংক্রান্ত মামলাতেও জবাব দেন ধীরাজ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, সরকার ওই অস্থায়ী কাঠামো ভাঙেনি। ঘটনায় যুক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একদিকে যখন এই মামলার সওয়াল জবাব চলছে, ঠিক সেই সময় আদালতের বাইরে জয় শ্রী রাম স্লোগান ওঠেন। যা নিয়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.