Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
SIR case in Bengal

কোন প্রক্রিয়ায় বঙ্গে SIR, নির্বাচন কমিশনের কাছে হলফলনামা তলব হাই কোর্টের

আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে এই হলফনামা জমা দিতে হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০২৫, ১৫:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০২৫, ১৫:০৯

options
link
কোন প্রক্রিয়ায় বঙ্গে SIR, নির্বাচন কমিশনের কাছে হলফলনামা তলব হাই কোর্টের zoom

গোবিন্দ রায়: এসআইআর মামলায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের হলফনামা তলব করল কলকাতা হাই কোর্ট। কোন প্রক্রিয়ায় বাংলায় এসআইআর? হলফনামা আকারে তা জানাতে নির্দেশ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে এই হলফনামা জমা দিতে হবে। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার শুনানিতে মামলাকারী আইনজীবী বিএলওদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়ার আবেদন জানান। এক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ, সরকার জানে কীভাবে তার কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে হয়। আলাদা করে কোনও নির্দেশ দেওয়ার দরকার নেই।

গত সোমবার বাংলায় এসআইআর ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রক্রিয়া। আমজনতার মনে হাজার হাজার প্রশ্ন। তৃণমূলের দাবি, ভোটে ফায়দা নিতে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই ছাব্বিশের আগে এসআইআর। এই নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। এরই মাঝে শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টে এসআইআর নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন পিন্টু কারার। কলকাতা হাই কোর্টে আবেদনে মামলাকারী এসআইআরের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করেছেন। একইসঙ্গে আদালতের নজরদারিতে এসআইআর করার কথাও বলেছেন। শুধু তাই নয়, বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন এসআইআর প্রয়োজন? তা স্পষ্ট করার কথাও বলেছেন মামলাকারী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আজ বৃহস্পতিবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী সওয়ালে ২০০২ এর ভিত্তিতে কেন এসআইআর হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে ২০২৫ এর তথ্যের ভিত্তিতে বাংলায় যাতে এসআইআর করা হয় সেই আবেদনও জানান।

অন্যদিকে শুনানিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, ২০০২ সালে শেষবার এসআইআর হয়েছিল। সেই সময় যাদের নাম ভোটার লিস্টে ছিল তাদের নতুন করে কোনও নথি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় ইতিমধ্যে বিএলওরা বাড়ি বাড়ি যেতে শুরু করেছেন। হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। সে বিষয়টি এদিন কলকাতা হাই কোর্টে তুলে ধরেন মামলাকারীর আইনজীবী। জানান, দিকে দিকে বিএলওরা হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন, তারা সরকারি কর্মী। তাদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক। যদিও এহেন আবেদন খারিজ করে দেয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.