Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Mahua Moitra

কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না, মহুয়ার গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের

৩১ আগস্ট বা পরবর্তী নির্দেশ না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদের দিল হাই কোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৭ আগস্ট।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৮:০৬

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৮:০৬

options
link
কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না, মহুয়ার গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

কলকাতা হাই কোর্টে স্বস্তিতে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর বিরুদ্ধে নিম্ন আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। সোমবার হাই কোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সাংসদের বিরুদ্ধে আপাতত কোনও কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা যাবে না। ৩১ আগস্ট বা পরবর্তী নির্দেশ না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদের দিল হাই কোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৭ আগস্ট।

হিংসায় উসকানি, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, তুলসী মালা-সহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ভারতীয় সেনাবাহিনী নিয়ে মহুয়ার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে মামলা দায়ের করেন ঘূর্ণির কয়েকজন মহিলা। সেই মামলাটি ওঠে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে। কয়েকবার শুনানির পর মহুয়াকে সশরীরে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেয় নিম্ন আদালত। কিন্তু মহুয়া এ দিন আদালতে হাজিরা দেননি। আইনজীবী মারফত সাংসদ জানান, তিনি আসতে পারবেন না। এরপরই নিম্ন আদালত মহুয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতের তৃতীয় কোর্টের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দিব্যেন্দু দাস।

Advertisement

গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া। সোমবার মামলাটির শুনানি ছিল। এদিন এজলাসে বিচারপতি দেবাংশু বসাক মহুয়ার আইনজীবীর কাছে জানতে চান, অপরাধ প্রি কগ্নিজেন্স স্টেজ অর্থাৎ অপরাধ বিবেচিত হওয়ার আগেই কেন আদালতে যাননি? এই প্রশ্নের উত্তরে মহুয়ার আইনজীবী জানান, কৃষ্ণনগর জেলা আদালতের তৃতীয় কোর্টের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এই এক্তিয়ার নেই। মহুয়া মৈত্র একজন সাংসদ। তাই এই বিচার প্রক্রিয়া শুধমাত্র এমপি এমএলএ আদালত করতে পারে। এই উত্তর শুনে বিচারপতি বলেন, এটি জামিনযোগ্য অপরাধ। সাংসদের আদালতে যাওয়া উচিত ছিল।

যদিও মহুয়া জানান, তিনি গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে আগে কোনও এফআইআর বা পুলিশ কেস হয়নি। তিনি এই ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ করার পর এফআইআর দায়ের হয়। সেই কারণে নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন তিনি। আপাতত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ঘটনায় হাই কোর্টে স্বস্তি পেলেন মহুয়া।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.