Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Calcutta HC

‘পোষ্য যেন ক্ষতির কারণ না হয়, নিশ্চিত করা মালিকের কর্তব্য’, পর্যবেক্ষণ হাই কোর্টের

আদালতের পর্যবেক্ষণ, পোষ্যের কারণে অন্য কারও যাতে ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে মালিককে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৫, ২২:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৫, ২২:১২

options
link
‘পোষ্য যেন ক্ষতির কারণ না হয়, নিশ্চিত করা মালিকের কর্তব্য’, পর্যবেক্ষণ হাই কোর্টের zoom

গোবিন্দ রায়: প্রতিবেশীর কুকুরের জ্বালায় অতিষ্ট গোটা পাড়া। কখনও কারও জুতো নিয়ে যাচ্ছে, তো কখনও মেলে দেওয়া শাড়ি, জামাকাপড় ছিঁড়ে দিচ্ছে। আবার কখনও কারও উপর হামলা চালাচ্ছে। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়ির গেটের চারপাশ নোংরা করে দিয়ে যাচ্ছে প্রতিবেশীর সারমেয়টি। তবে অন্য কেউ পোষ্যের হামলার শিকার হলে, বা তার অত্যাচারে অতিষ্ট হলে তার দায় কি মালিকের বর্তাবে? সম্প্রতি এই সংক্রান্ত এক মামলায় বিষয়টি স্পষ্ট করল কলকাতা হাই কোর্ট।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বিচারপতি উদয় কুমারের মত, কারও পোষ্যের কারণে অন্যদের যাতে ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করা মালিকের কর্তব্য। একইসঙ্গে, এই বলে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মামলা বাতিলের আবেদন খারিজও করে দিয়েছে আদালত। বিচারপতি আরও জানিয়েছেন, একজন পোষ্যের মালিককে তাঁর পোষ্যকে গুরুত্ব দিয়ে যত্ন নিতে হবে। পোষ্যের কারণে অন্য কারও যাতে ক্ষতি না হয়, সে বিষয়ে মালিককে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের ঘটনা। সোনারপুরের বাসিন্দা এক ব্যক্তি পোষ্যের মালিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারায় মামলা দায়ের হয়। অভিযোগকারীর দাবি, ওই ব্যক্তির পোষা ১০-১২টি কুকুর তাঁকে একটি আবাসিক ভবনের ছাদে হামলা করে। তার ফলে তিনি জখম হয়েছিলেন। ঘটনায় কুকুরগুলির মালিক ফৌজদারি অভিযোগ খারিজ করার জন্য হাই কোর্টে আবেদন করেন। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাঁর কাছে শুধু একটি কুকুর আছে। তাছাড়া, অভিযোগকারীর মেডিক্যাল রিপোর্টে কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে বিচারপতি কুমার বলেন, যদিও মেডিক্যাল রিপোর্টে এই ধরনের আঘাত দেখা যায়নি, তবে কুকুরের তাড়া খেয়ে ছাদে পড়ে যাওয়ার ফলে অভ্যন্তরীণ আঘাত বা মানসিক আঘাত তৈরি হতে পারে। অনেক কুকুরকে একটি বাড়ির ছাদে খোলা রাখার অভ্যেস নিয়েও উদ্বেগপ্রকাশ করেন।

বিচারপতি উদয় কুমার বলেন, আইপিসির ২৮৯ ধারায় কোনও পোষ্যের মালিকের উপর কর্তব্য আরোপ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, পোষ্যের দ্বারা মানুষের জীবনের সম্ভাব্য বিপদ বা গুরুতর আঘাত রোধ করার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে মালিককে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত তাঁর একটি কুকুর রয়েছে বলে দাবি করলেও পুলিশের চার্জশিটেও বলা হয়েছে তাঁর ১০-১২টি কুকুর রয়েছে। যদিও এর কোনও প্রমাণ নেই বলেই দাবি করেন অভিযুক্ত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.