Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Bus Route

আর্থিক বেনিয়ম-সংগঠনের চাপ! সকাল থেকে বন্ধ ২৩৯ রুটের বাস, নাকাল যাত্রীরা

২৩৯ নং বাসটি নিউটাউনের সাপুরজি থেকে বাবুঘাট দীর্ঘ রুটে চলে। কী কারণে বন্ধ হয়ে গেল?

নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১৯:২১

link
নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১৯:২১

options
link
আর্থিক বেনিয়ম-সংগঠনের চাপ! সকাল থেকে বন্ধ ২৩৯ রুটের বাস, নাকাল যাত্রীরা zoom
ফাইল চিত্র।
Advertisement

সপ্তাহের প্রথম দিন পথে বেরিয়ে চূড়ান্ত নাকাল নিত্যযাত্রীরা। সোমবার সকাল থেকে বন্ধ ২৩৯ নং রুটের বাস (Bus Route)। সংগঠনের চাপ, আর্থিক বেনিয়ম-সহ বেশ কয়েকটি অভিযোগে এদিন বাস রাস্তায় নামতেই পারেনি। ২৩৯ নং বাসটি নিউটাউনের সাপুরজি থেকে বাবুঘাট পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তায় চলে। মোট ৩৯ টি বাস দিনভর পরিষেবা দিয়ে থাকে। কিন্তু আজ কোনও বাস পথে না নামায় এই দীর্ঘ রুটে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ব্যাপক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের। কীভাবে এর সমাধান হবে, সে বিষয়ে কার্যত আতান্তরে বাস মালিকরা। দিশেহারা চালক, কন্ডাক্টররাও।

২৩৯ নং রুটের বাসটি সাপুরজি থেকে ছেড়ে সেক্টর ফাইভ, ইকো পার্ক হয়ে ঘুরে এসএন ব্যানার্জি রোড হয়ে বাবুঘাট পর্যন্ত যায়। অর্থাৎ সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসযাত্রীদের জন্য বাস পরিষেবা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া ধর্মতলা চত্বরে যাঁদের নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়, তাঁরাও ২৩৯ নং বাসের নিত্যযাত্রী। সোমবার আচমকাই স্তব্ধ সেই বাস পরিষেবা। সকাল থেকে একটিও বাস রাস্তায় নামেনি।

২৩৯ নং রুটের বাসটি সাপুরজি থেকে ছেড়ে সেক্টর ফাইভ, ইকো পার্ক হয়ে ঘুরে এসএন ব্যানার্জি রোড হয়ে বাবুঘাট পর্যন্ত যায়। অর্থাৎ সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসযাত্রীদের জন্য বাস পরিষেবা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া ধর্মতলা চত্বরে যাঁদের নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়, তাঁরাও ২৩৯ নং বাসের নিত্যযাত্রী। সোমবার আচমকাই স্তব্ধ সেই বাস পরিষেবা। সকাল থেকে একটিও বাস রাস্তায় নামেনি। চালকরা কাজে যোগ দিতে গেলে তাঁদের বারণ করা হয় বলে অভিযোগ। এমনিতেই এই রুটে বাস পাওয়ার ক্ষেত্রে যাত্রীদের অভিযোগ ছিল, সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে কোনও বাস মেলে না। মালিকরা জানান, চালকরা বাস নিয়ে রাস্তায় নামতে চান না সন্ধ্যার পর।

Advertisement

বেঙ্গল বাস সিন্ডিকেটেরল সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ সাহা বাস মালিকদের অভিযোগ তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় শ্রমিক সংগঠনই জোর করে পরিষেবা বন্ধ করে রেখেছে। তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপের অভিযোগ এনেছেন মালিকরা। তাঁদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, চালক ও বাসকর্মীদের বোনাস বাবদ কয়েক লক্ষ টাকা সংগঠনের কাছে জমা রাখা হয়েছিল। অথচ সেই অর্থ পাননি চালকরা। বোনাসের সেই টাকা সংগঠনের কাছে চাইতে গেলে ফেরতও দেননি। এনিয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাস পরিষেবা। কবে কাটবে জট? এ বিষয়ে এখনও কিছু বলতে পারছেন না কোনও পক্ষই। সমাধানের জন্য প্রশাসনের সাহায্য চান বাস মালিকরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.