Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
Bratya Basu

মুখ্যমন্ত্রীর নামে ‘মিথ্যাচার’, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য শান্তা দত্তকে তোপ ব্রাত্যর

শারদ বই পার্বণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিক বৈঠক করেন ব্রাত্য বসু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৫, ০৯:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৫, ০৯:৩৫

options
link
মুখ্যমন্ত্রীর নামে ‘মিথ্যাচার’, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য শান্তা দত্তকে তোপ ব্রাত্যর zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: স্থায়ী উপাচার্য পদে ইন্টারভিউতে না ডাকা নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য শান্তা দত্ত যে মন্তব্য করেছেন, তা নিয়ে কার্যত তুলোধোনা করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শনিবার সাংবাদিকদের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, ‘‘শুধু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কেন, অনেকেই ইন্টারভিউতে ডাক পাননি। তালিকা প্রকাশ হলে দেখতে পারবেন।’’

এদিকে ২৮ আগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠার দিনে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন বলে যে প্রচার অন্তর্বর্তী উপাচার্য শান্তা দত্ত করেছেন তা ‘মিথ্যাচার’ বলেছেন ব্রাত্য। ব্রাত্য বলেছেন, “পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন বলে উনি মিথ্যাচার করেছেন।”

Advertisement

ব্রাত্য বলেছেন, পরীক্ষা না নেওয়ার কথা উঠছে কোথায়? মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেছে কোথায়? জানা গেল, মিডিয়ায় খাওয়ানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন। এই মিথ্যাচার কতদিন চলবে? মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করলে মেল থাকবে, হোয়াটসঅ্যাপ থাকবে, চিঠি থাকবে। ইচ্ছাকৃতভাবে রাজ্যপাল মনোনীত উপাচার্য খাইয়ে দিয়েছেন যে তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন উচ্চশিক্ষাদপ্তরকে দিয়ে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার কথা বলেছে।’’

এদিন শারদ বই পার্বণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের ব্রাত্য বসু আরও বলেছেন, ‘‘ওইদিন একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ছিল। সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। কোনও কোনও বিশ্ববিদ্যালয় অনুরোধ রেখেছে, কোনও কোনও বিশ্ববিদ্যালয় অনুরোধ রাখেনি। তা বলে কেউ ঝাঁপিয়ে পড়ে মিডিয়ার কাছে গিয়ে হিরো হওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী যা বলেননি, তা নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন। মিথ্যা কথা বলার একটা সীমা আছে।’’

এদিকে এসএসসি-র তালিকা প্রকাশ নিয়ে ব্রাত্য জানিয়েছেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সাংসদ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কথা দিয়েছেন, তিনি বিষয়টি দেখছেন। রাজনৈতিক বিরোধী দলনেতা তাঁদের মতো বলবেন। আদালত যা বলবে সেটাই শোনা হবে।’’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.