খাস কলকাতার নাগেরবাজারে মা ও ছেলের অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হল। আজ, শুক্রবার দুপুরে পাঁচতলা বহুতলের ওই ফ্ল্যাট থেকে ধোঁয়া বার হতে দেখা গিয়েছিল। পুলিশ ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দেহ উদ্ধার করা হয়। কীভাবে ওই ঘটনা ঘটল? নিছক দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও বিষয়? সেই প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মৃতের নাম অভিষেক সিকদার ও ছবি সিকদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দমদমের নাগেরবাজারের সাতগাছি এলাকায় একটি ফ্ল্যাটবাড়ির চারতলায় থাকেন মা ও ছেলে। এদিন দুপুর একটা নাগাদ স্থানীয়রা ওই চারতলার ফ্ল্যাটের জানলা থেকে ধোঁয়া বার হতে থাকে। দরজা ধাক্কাধাক্কি করেও কোনও সাড়া মেলেনি। এরপরই খবর দেওয়া হয় নাগেরবাজার থানা ও দমকলে। দ্রুত অকুস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও দমকল বাহিনী। ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে পুলিশ। অগ্নিদগ্ধ মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে আর জি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়। যদিও ডাক্তাররা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় ফ্ল্যাটের আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন দমকল কর্মীরা।
আরও পড়ুন:
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বছর ৪০-এর অভিষেক পড়াশোনায় মেধাবি ছিলেন। এলাকায় সুনামও রয়েছে তাঁর। কিছুদিন আগে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তারপর থেকেই তিনি মেজাজ হারিয়ে ফেলতেন! শুধু তাই নয়, সম্প্রতি মানসিক ভারসাম্য তিনি হারিয়ে ফেলেছিলেন বলেও অভিযোগ। ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা ছবি সিকদারের সঙ্গেই থাকতেন তিনি। এদিন সেই ছেলের ঘর থেকেই গলগল থেকে ধোঁয়া বার হতে দেখা যায়। কিন্তু কীভাবে লাগল ওই আগুন? শর্টসার্কিট থেকে কি ওই আগুন লেগেছিল? নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগিয়ে দু’জনেই আত্মহত্যা করলেন? নাকি ছেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল? ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মাও মারা গেলেন? সেসব প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখছে। ঘটনায় প্রতিবেশীদের মধ্যে আতঙ্ক, চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পুরদলেও ফাটল, আইনি জটের আশঙ্কা, মমতার পছন্দে মেয়র বাছতে ‘সই’ দিলেন না অধিকাংশ কাউন্সিলর!
-
ছবির দেশ, কবিতার দেশে রূপকথা! ফরাসি ওপেনে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের স্বাদ জাভেরেভের
-
পাহাড় থেকে সমতল, ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা! আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বাসিন্দারা
-
‘একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না’, বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের
-
শ্বাস যন্ত্রে কিছুতেই ফুঁ দিতে পারছেন না মদ্যপ! চড় কষালেন পুলিশকর্মী, ভিডিও ঘিরে বিতর্ক