Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Sunil Bansal

‘একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না’, বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের

বঙ্গে সংগঠনকে আরও বড় ও মজবুত করাই লক্ষ্য পদ্মশিবিরের।

Advertisement
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ২৩:০৪

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ২৩:০৪

options
link
‘একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না’, বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের zoom
'একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না', বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের

বাংলায় হিন্দু ঐক্যে জোর। নিউটাউন কনভেনশন সেন্টারের সভা থেকে বাংলার সংগঠন মজবুত করতে বড় বার্তা বঙ্গ বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশলের। তিনি সাফ বললেন, “একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না। সংগঠনকে মজবুত করতে সব হিন্দুদের একজোট করতে হবে।”

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে ছাব্বিশে। অবশেষে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। বাংলার রাশ গিয়েছে বিজেপির হাতে। এবার বঙ্গে সংগঠনকে আরও বড় ও মজবুত করতে মরিয়া পদ্মশিবির। তাঁরা চাইছে, বাংলার সব হিন্দুদের একত্রিত করতে।  আর সেই লক্ষ্যেই নিউটাউন কনভেনশন সেন্টারের সভা থেকে বড় বার্তা সুনীল বনশলের। ঠিক কী বলেছেন তিনি? এদিন বনশল বলেন, “একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না। হিন্দুদের কেউ যেন সংগঠনের বাইরে না থাকে। সব হিন্দুদের একত্রিত করতে হবে, এক ছাতার তলায় আনতে হবে।” তবে সংগঠনের জুড়ে ফেললেই যে কাজ শেষ নয়, এদিন সেকথাও বলেন বনশল। তাঁর কথায়, “সকলে যে সংগঠনকে ভালোবেসে আসবেন, তা নয়। কেউ নিজের স্বার্থেও বিজেপিতে আসার চেষ্টা করবেন। তাঁর চিন্তাভাবনা যেমনই হোক না কেন, আসার পর আমাদের সঙ্গে কাজ করতে করতে আমাদের বিচারধারা মেনে সারাজীবন যাতে কাজ করেন, তেমন করে তৈরি করে নেওয়ার দায়িত্ব বিজেপির।” 

Advertisement

বনশলের কথায়, “সকলে যে সংগঠনকে ভালোবেসে আসবেন, তা নয়। কেউ নিজের স্বার্থেও বিজেপিতে আসার চেষ্টা করবেন। তাঁর চিন্তাভাবনা যেমনই হোক না কেন, আসার পর আমাদের সঙ্গে কাজ করতে করতে আমাদের বিচারধারা মেনে সারাজীবন যাতে কাজ করেন, তেমন করে তৈরি করে নেওয়ার দায়িত্ব বিজেপির।” 

 সাম্প্রতিককালে একাধিকবার মোদি ও শাহের মুখে শোনা গিয়েছে, বাংলার জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে।  আগামীতে পুরো পরিবেশ পালটে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই পরিস্থিতিতে বনশলের হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তবে সকলকে সংগঠনে যুক্ত করার অর্থ কোনওভাবেই দুর্নীতিগ্রস্তদের দলে জায়গা করে দেওয়া নয়। এক্ষেত্রে অবশ্যই একটা ছাঁকনির ব্যবহার করা হবে। তবে মূল উদ্দেশ্য একটাই, বাংলার সমস্ত হিন্দুরা যেন এক ছাতার নিচে আসেন।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.