শিবভক্তদের জন্য আয়োজিত সেবা শিবিরে নাচের অনুষ্ঠান। আর সেই মঞ্চেই নর্তকীকে কোলে তুলে নাচতে দেখা গেল! শুধু তাই নয়, মঞ্চে উঠে ওই নর্তকীকে ঘিরে বেশ কয়েকজনকে নাচতেও দেখা যায়! তাঁরা প্রত্যেকেই বিজেপি কর্মী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। আর তারপরই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। ন্যক্কারজনক ওই ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার কাছেই বরানগরে। একটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।
ভিডিও ছড়াতেই বরানগরে বিজেপিকে ঘিরে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। এক ব্যক্তিকে নর্তকীকে জড়িয়ে নাচতেও দেখা গিয়েছে! মঞ্চের অদূরে বিজেপির মহিলা কর্মীদের উপস্থিতিও দেখা যায়। ওই ভিডিওকে সামনে রেখে বিজেপিকে নিশানা করেছে তৃণমূল। ঘটনাটি গত শনিবার বরানগরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিটি রোডের ধারে একটি পেট্রল পাম্পের কাছে। বিষয়টি কী? জল ঢালার জন্য বহু শিবভক্ত বিটি রোড ধরে তারকেশ্বর যান এইসময়। শিবভক্তদের জন্য জল, সরবত, বিস্কুট, খিচুড়ি-সহ খাবারের ব্যবস্থা ছিল সেখানে।
আরও পড়ুন:
বিজেপি সূত্রে খবর, স্থানীয় ১ নম্বর মণ্ডলের সহ-সভাপতি জীতেন্দ্র গিরি, যুব মোর্চার সম্পাদক মেহেলি চট্টোপাধ্যায় এবং শক্তিকেন্দ্র প্রমুখ তাপস শর্মা-সহ কয়েকজন ওই শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রাতে সেখানে গানের সঙ্গে নাচের অনুষ্ঠান শুরু হয়। অভিযোগ, সেসময় কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মী মঞ্চে উঠে নর্তকীর সঙ্গে নাচেন। তাঁদেরই একজনকে ওই নর্তকীকে কোলে তুলে নাচতে দেখা যায়! সেই নাচের ভিডিও করা হয়েছিল।
সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন বরানগরের তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু মজুমদার ওরফে মেজো। তাঁর কটাক্ষ, “এটা শিবভক্তদের সেবা করা?” তাঁর অভিযোগ, বাংলার সংস্কৃতির নামে এই ধরনের ‘অপসংস্কৃতি’ বরানগরের মানুষ মেনে নেবেন না। অভিযোগ নিয়ে বিজেপির ১ নম্বর মণ্ডল সভাপতি মলি রায় বলেন, “বিধানসভায় কাজে এসেছি। পরে কথা বলব।” পরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। উত্তর শহরতলি জেলা বিজেপি সভাপতি চণ্ডীচরণ রায় বলেন, “বিষয়টি খোঁজ নিয়ে মন্তব্য করব।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ