বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের একাংশের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ, গোষ্ঠীকোন্দল বড় মাথাব্যথার কারণ বিজেপির(BJP) কেন্দ্রীয় নেতাদেরও। আর সেটাই শুক্রবার স্পষ্ট হল দলের রাজ্য কমিটির নতুন সদস্য ও জেলা ইনচার্জদের নিয়ে প্রথম বৈঠকেই। দলের নতুন রাজ্য পদাধিকারী ও ৪৩টি সাংগঠনিক জেলার ইনচার্জদের নিয়ে এদিন সল্টলেকের একটি হোটেলে বৈঠক করেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব ও সুনীল বনশল (Sunil Bansal)। ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।
দলের নেতাদের মধ্যে মনোমালিন্য যে বড় সমস্যা তা উপলব্ধি করে কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনশল রাজ্য নেতাদের উদ্দেশে বলেন, মনোমালিন্য যেন না থাকে সেটা দেখতে হবে। যাঁরা ক্ষুব্ধ, দূরে সরে আছেন, তাঁদের বাড়ি যান। কথা বলে তাঁদের দলের কাজে নামাতে হবে। পুরনোদের পুরোদমে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন বনশল থেকে ভূপেন্দ্র যাদবরা। সবাই মাঠে না নামলে বিজেপির সফলতা যে আসবে না তা এদিন নতুন নেতৃত্বকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বনশল-যাদবরা। এখনও পর্যন্ত ৫০ শতাংশ পথসভাও শেষ করতে পারেনি বিজেপি। সেটা নিয়েও খুব একটা খুশি নন কেন্দ্রীয় নেতারা। জানুয়ারি মাসের মধ্যেই বাকি ৫০ শতাংশ পথসভা শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বস্তুত বঙ্গে বিজেপির প্রভাব বা বিস্তার এ পর্যন্ত যা হয়েছে সবটাই নিচুতলায়। শহুরে আসনগুলিতে বা তথাকথিত ভদ্রলোকেদের মধ্যে সেভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি গেরুয়া শিবির। বিরোধীরা তো বটেই দলের অন্দরেও অনেকে প্রশ্ন তোলেন, গেরুয়া শিবিরে বহিরাগত, হিন্দিভাষীদের দাপট নিয়ে। একে তো রাজ্যের নেতাদের উপেক্ষা করে লাগাতার কেন্দ্রীয় নেতাদের দাপট, উপরন্তু বিজেপি নেতাদের একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য। কখনও মাছ খাওয়া নিয়ে, কখনও রাম নবমী পালন করা নিয়ে, কখনও বাঙালি মনীষীদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বারবার সমস্যায় পড়েছেন বিজেপি নেতারা। তাই বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি পর্বে সবার প্রথম ঘর সামলাতে ব্যস্ত শীর্ষ নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন