Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Rajya Sabha Election

রাজ্যসভার ‘বাঁধা’ আসনে কাকে পাঠাবে বিজেপি? অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি চান না শমীকরা

স্বাধীনতার পর বাংলা থেকে বিজেপির প্রথম রাজ্যসভা আসন পেয়েও দলের পরীক্ষিত নেতৃত্বকে উপেক্ষা করে বাইরের এক মুখকে তুলে আনার সিদ্ধান্ত ছিল মারাত্মক কৌশলগত ভুল।

Advertisement
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৩:৪৯

link
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৩:৪৯

options
link
রাজ্যসভার ‘বাঁধা’ আসনে কাকে পাঠাবে বিজেপি? অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি চান না শমীকরা zoom
রাজ্যসভার চার আসনের প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির। ফাইল ছবি।

রাজ্যসভা ভোটের (Rajya Sabha Election ) নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। বাংলা থেকে খালি হতে চলেছে মোট পাঁচটি আসন যার মধ্যে একটি নিশ্চিতভাবেই যাবে বিজেপির ঝুলিতে। আর এই একটি আসন ঘিরেই এখন রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তুঙ্গে। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের আগে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন বিজেপি (BJP) তাদের রাজ্যসভা আসনে শেষ পর্যন্ত কাকে পাঠাতে চলেছে। বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে এই সিদ্ধান্ত শুধুই সাংসদ বাছাই নয়, বরং বাংলায় দলের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির স্পষ্ট বার্তা বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা। এক সময় যে ভুল সিদ্ধান্ত বিজেপিকে সংগঠনের ভিতরে ভিতরে দুর্বল করেছিল, তার পুনরাবৃত্তি হলে যে বড় মাশুল দিতে হবে, তা বুঝতে পারছে দলীয় নেতৃত্বও।

স্বাধীনতার পর বাংলা থেকে বিজেপির প্রথম রাজ্যসভা আসন পেয়েও দলের পরীক্ষিত নেতৃত্বকে উপেক্ষা করে বাইরের এক মুখকে তুলে আনার সিদ্ধান্ত ছিল মারাত্মক কৌশলগত ভুল। অনন্ত মহারাজ-এর মতো বিতর্কিত ও সীমিত প্রভাবের নেতাকে সংসদে পাঠিয়ে বিজেপি কার্যত নিজেদের সাংগঠনিক শক্তিকেই খাটো করেছিল। কর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল ক্ষোভ, আর সাধারণ ভোটারের চোখে দল হয়ে উঠেছিল দিশাহীন।

Advertisement

বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে এই সিদ্ধান্ত শুধুই সাংসদ বাছাই নয়, বরং বাংলায় দলের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির স্পষ্ট বার্তা বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।

এই ভুল কিছুটা হলেও সংশোধন হয় যখন রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) পাঠানো হয় শমীক ভট্টাচার্য-কে (Samik Bhattacharya)। দীর্ঘদিনের সংগঠক, যুক্তিনিষ্ঠ বক্তা এবং বাংলার রাজনীতির বাস্তবতা বোঝা এক নেতা হিসেবে শমীক সংসদে বিজেপির মুখ অনেকটাই উজ্জ্বল করেছেন। কেন্দ্রের নীতির পক্ষে যেমন তিনি দৃঢ়ভাবে সওয়াল করেছেন, তেমনই বাংলার স্বার্থে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন তুলতেও পিছপা হননি। তাঁর উপস্থিতিতে বিজেপি যে শুধু দিল্লিতে নয়, বাংলাতেও রাজনৈতিকভাবে আরও পরিণত হচ্ছে, এই বার্তাই পৌঁছেছে কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে।

এখন প্রশ্ন, বিজেপি কি আবার পরীক্ষানিরীক্ষার পথে হাঁটবে, নাকি সংগঠনের ভিত মজবুত করার দিকেই যাবে? রাজ্যসভায় পাঠানো মুখটি যদি হয় আরেকটি ‘চমক’, তাহলে তার প্রভাব পড়বে সরাসরি ভোটবাক্সে। আর যদি শমীক ভট্টাচার্যের মতো অভিজ্ঞ, গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে বিজেপি বাংলায় নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা আরও বাড়াতে পারবে। সব মিলিয়ে বিজেপি কাকে রাজ্যসভায় পাঠায়, তার ওপরই অনেকটা নির্ভর করছে বাংলায় দলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। এই সিদ্ধান্ত যে নিছক সাংসদ নির্বাচন নয়, বরং বাংলার ভোটের আগে এক বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.