Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
BLA

BLA সংখ্যায় শীর্ষে বিজেপি, কোথায় তৃণমূল? কোথায় দাঁড়িয়ে ‘শূন্য’ সিপিএম?

বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইনে পাওয়া যাবে এনুমারেশন ফর্ম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ২৩:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ২৩:৪০

options
link
BLA সংখ্যায় শীর্ষে বিজেপি, কোথায় তৃণমূল? কোথায় দাঁড়িয়ে ‘শূন্য’ সিপিএম? zoom
Advertisement

সুদীপ রায়চৌধুরী: রাজ্যজুড়ে চলছে SIR। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করছেন BLO-রা। তাঁদের সাহায্য করছেন BLA। বুধবার পর্যন্ত কোন দল কত BLA নিয়োগ করল, নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে সেই তথ্য।

কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, বিএলএ নিয়োগের হিসাবে এগিয়ে বিজেপি। তারা ৩৫ হাজার ৬৫১ জন বিএলএ দিয়েছে। তৃণমূল দিয়েছে ২৭ হাজার ৭৪৪ জন। সিপিএম দিয়েছে ২৭ হাজার ৩৯২। এছাড়া ফরওয়ার্ড ব্লক ১ হাজার ৯১ জন বিএলএ দিয়েছে। আম আদমি পার্টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি একজন বিএলএ দেয়নি। ফলে একা একাই বিএলও-রা কাজ করেন।

Advertisement

অনেক জায়গায় ফর্ম দেওয়ার জন্য নথি চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বুথ লেভেল অফিসার এবং বুথ লেভেল এজেন্টদের কোনও নথি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নেই। এমনকী বিএলও-রা নথি নেবেন না। তাঁরা শুধু এনুমারেশন ফর্ম দেবেন এবং নিয়ে আসবেন। কমিশন জানিয়েছে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নিজের বা পরিবারের কারও নাম না থাকলে তবেই নথি জমা দিতে হবে। রিভিউয়ের সময় সেই নথি দেখাতে হবে। নাম থাকলে কোনও নথির দরকার নেই। বাংলার জন্য মোট ১৩টি নথির উল্লেখ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া না-গেলে ওই ১৩টি নথির যে কোনও একটি দিতে হবে। শুনানি করে সেই নথি খতিয়ে দেখা হবে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইনে পাওয়া যাবে এনুমারেশন ফর্ম। নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের ওয়েবসাইে ফর্ম পাওয়া যাবে। কেউ চাইলে কমিশনের অ্যাপ ইসিআইনেট-এ গিয়ে ফর্ম পূরণ করা যাবে। বলে রাখা ভালো, গত মঙ্গলবার থেকেই অনলাইনে ফর্ম পাওয়ার কথা ছিল। তবে প্রযুক্তিগত ত্রুটির ফলে তা সম্ভব হয়নি। এনুমারেশন ফর্ম ফিল আপের কাজ চলবে আগামী একমাস অর্থাৎ ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই একমাসের মধ্যে ওই ফর্মপূরণের কাজ হবে। তার ভিত্তিতে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে আগামী ৯ ডিসেম্বর। এই তালিকা নিয়ে অভিযোগ থাকলে ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারির মধ্যে জানাতে হবে। পরবর্তী পর্যায়ে ৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে অভিযোগ শোনা এবং খতিয়ে দেখার কাজ। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। আর তারপর রাজ্যে বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যাবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.