সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইংরেজদের খুশি করতে নাকি ‘জন গণ মন’ লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সম্প্রতি এমনই মন্তব্য করেছেন কর্নাটকের বিজেপি সাংসদ বিশ্বেশ্বর কাগেরি। এরই প্রতিবাদে ফুঁসে উঠল তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠক করে ব্রাত্য বসু ও শশী পাঁজা বললেন, “বিজেপি কোনওদিনই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে দেখতে পারেন না।” তাঁদের কথায়, বিজেপি তৎকালীন একটি ব্রিটিশ সংবাদপত্রের দাবিকে তুলে ধরে কবিগুরুকে অপমান করছে। যা কোনওভাবেই মেনে নেবে না তৃণমূল।
ঠিক কী বলেছিলেন কাগেরি? তাঁর কথায়, ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ লেখা হয় ব্রিটিশ আধিকারিকদের স্বাগত জানানোর জন্য। তাঁর মতে দেশের জাতীয় সঙ্গীত হওয়া উচিত ছিল ‘বন্দে মাতরম’। যা নিয়ে তু্ঙ্গে বিতর্ক। প্রতিবাদে সরব হয় কর্ণাটকের শাসকদল কংগ্রেসও। এদিন ফুঁসে উঠল তৃণমূল। ব্রাত্য বসুর কথায়, বিজেপি পরিকল্পনামাফিক ভুল তথ্য প্রচার করছে ও কবিগুরুকে অপমান করছে। ব্রাত্য এদিন সাফ বলেন, “পঞ্চম জর্জের আসার সঙ্গে এই গানের কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপি মিথ্যাকে আমাদের খাইয়ে দিতে চাইছে!” ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “পুজোর সময় তো মুখ্যমন্ত্রীর লেখা অনেক গান প্রকাশিত হয়। সেই সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুজো উদ্বোধনে কলকাতায় আসেন। তার মানে কি ওনাকে স্বাগত জানাতে গান লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী?”
ব্রাত্য আরও বলেন, “বঙ্গিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও রবীন্দ্রনাথের মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা চলছে এটা বিজেপির কৌশল। রবীন্দ্রনাথ ছোট প্রমাণ করার চেষ্টা হচ্ছে। বাঙালি এটা মানবে না। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।” প্রসঙ্গত, পঞ্চম জর্জকে স্বাগত জানাতে কবিগুরু জন গণ মন লিখেছিলেন, এই অভিযোগ উঠেছে বহুবার। তবে ইতিহাস বলছে, কবিগুরু নিজেই জানিয়েছিলেন তাঁর এই গান লেখার সঙ্গে ব্রিটিশদের কোনও যোগ নেই।
সর্বশেষ খবর
-
‘ডিভোর্সের আগে জন্মদিনে দেবশ্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম…’, কোন ‘অভিমান’-এর কথা বললেন প্রসেনজিৎ?
-
নিউ আলিপুর থানার সামনে উত্তেজনা, স্বরূপ অনুগামীদের মার ক্রুদ্ধ জনতার, নামল বাহিনী
-
বৈভবকে নিয়ে আলোচনা বিলেতেও, অন্য দুই দেশের টেস্টেও উঠল ভারতীয় দলে নেওয়ার দাবি
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত
-
‘ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কচি নয়’, স্বরূপের শ্লীলতাহানি মামলায় রূপার নিশানায় কারা? কী বলছেন স্বপন দাশগুপ্ত?