Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Bengal SIR

রাজনৈতিক দলগুলির কাছেও খসড়া পাঠাবে কমিশন, বিডিও অফিসে এখনই মিলবে না ছাপানো তালিকা

মঙ্গলবার কখন প্রকাশ হবে খসড়া তালিকা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ২০:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ২০:৩৫

options
link
রাজনৈতিক দলগুলির কাছেও খসড়া পাঠাবে কমিশন, বিডিও অফিসে এখনই মিলবে না ছাপানো তালিকা zoom

সুদীপ রায়চৌধুরী: রাত পোহালেই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে মানুষের মধ্যে রয়েছে একাধিক প্রশ্ন। রয়েছে আতঙ্কও। এর মধ্যেই মঙ্গলবার এই তালিকা প্রকাশিত হবে। আর তা সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির কাছেই পাঠানো হবে। তবে এখনই বিডিও অফিস এবং এসডিও অফিসে ছাপানো তালিকা মিলবে না বলেই কমিশন সূত্রের খবর। তবে খসড়া তালিকা দেখার সুযোগ থাকবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, অ্যাপে। শুধু তাই নয়, বুথ লেভেল আধিকারিক অর্থাৎ বিএলওদের কাছ থেকেও খসড়া তালিকা থাকবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

গত ২৭ অক্টোবর বাংলায় এসএআইআর (Bengal SIR) ঘোষণা করে কমিশন। ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয় এসআইআর প্রক্রিয়া। তথ্য যাচাই করে নির্বাচন কমিশন সূত্রে যে হিসেব পাওয়া গিয়েছিল তাতে দেখা গিয়েছে ৫৭ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে। এই তালিকায় মৃত, স্থানান্তরিত, ডুপ্লিকেট ভোটাররা আছেন। যা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে রয়েছে আতঙ্ক। যদিও আতঙ্কের কিছু নেই বলেই দাবি কমিশনের। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার জেলার প্রত্যেকটি স্বীকৃত রাজনৈতিকদলগুলিকে ছাপানো তালিকা তুলে দেবে কমিশন। শুধু তাই নয়, শহর এবং শহরতলিতেও তা দেওয়া হবে। তবে হার্ডডিস্ক কিংবা পেন ড্রাইভে তা দেওয়া হবে।

Advertisement

তবে এখনই বিডিও অফিসে এবং এসডিও অফিসে খসড়া ভোটার তালিকা টাঙানো হবে না। কমিশন সূত্রে খবর, কম সময়ের মধ্যে এত তালিকা ছাপানো সম্ভব নয়। সেই কারণেই এহেন সিদ্ধান্ত। তবে ডিএম অর্থাৎ জেলাশাসকের কাছে সেই তালিকা রাখা থাকবে। এছাড়াও অ্যাপ, পোর্টাল এবং সংশ্লিষ্ট বিএলওদের কাছে তা রাখা থাকবে। ফলে ভোটারদের তালিকা দেখার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হবে না বলেই মনে করছে কমিশন।

অন্যদিকে খসড়া তালিকা প্রকাশের পরেই শুনানির জন্য ডাকা হবে। তবে তাও শুরু হতে পাঁচ-সাতদিন সময় লাগতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, কীভাবে এই শুনানি শুরু হবে, কোথায় তা হবে সে বিষয়ে এখনও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে কিছু জানানো হয়নি। তা জানার পরেই শুনানির কাজ শুরু করা সম্ভব বলে মনে করছে কলকাতায় মুখ্য নির্বাচন কমিশন অর্থাৎ সিইও দপ্তর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.