Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
College Square Durga Puja

কলেজ স্কোয়ারের পুজোর সভাপতি হচ্ছেন? গুজব উড়িয়ে শমীক বললেন, ‘উৎসব জনগণের হাতেই থাকুক’

দুর্গাপুজো মানে বাঙালির ঐতিহ্য, আবেগ। তাতে যে রাজনীতির রং লাগাতে রাজি নয় বিজেপি, শমীকের সিদ্ধান্তেই তা স্পষ্ট।

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৬, ১৯:৪৫

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৬, ১৯:৪৫

options
link
কলেজ স্কোয়ারের পুজোর সভাপতি হচ্ছেন? গুজব উড়িয়ে শমীক বললেন, ‘উৎসব জনগণের হাতেই থাকুক’ zoom
কলেজ স্কোয়ারের পুজোর সভাপতি হচ্ছেন? গুজব উড়িয়ে শমীক বললেন, 'উৎসব জনগণের হাতেই থাকুক'
Advertisement

কলেজ স্কোয়ারের পুজোর সভাপতি হচ্ছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য! মঙ্গলবার সকাল থেকেই এই তথ্য ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র। অবশেষে এবিষয়ে মুখ খুললেন শমীক ভট্টাচার্য। এক্স হ্যান্ডেলে স্পষ্টভাবে জানালেন, তিনি কলেজ স্কোয়ার কেন, কোনও পুজোর সভাপতিত্বই করবেন না বা দায়িত্ব নেবেন না। দুর্গাপুজো মানে বাঙালির ঐতিহ্য, আবেগ। তাতে যে রাজনীতির রং লাগাতে রাজি নয় বিজেপি, শমীকের সিদ্ধান্তেই তা স্পষ্ট।

বহু বছর আগে কলেজ স্কোয়ারের পুজো কমিটির সভাপতি ছিলেন সোমেন মিত্র। পরবর্তীকালে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কিছুদিন এই দায়িত্ব সামলেছেন। গত ৮ বছর ধরে কলেজ স্কোয়ারের পুজো কমিটির সভাপতিত্ব করেছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তবে বর্তমানে তিনি বয়সের ভারে নুব্জ। সূত্রের খবর, সেই কারণে এবছর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন, এই বয়সে আর গোটা পুজোর দায়িত্ব সামাল দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়। এরপরই গত ৭ জুন কলেজ স্কোয়ার পুজো কমিটির তরফে বৈঠক করা হয়। সেখানেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয় বছর ৮২-এর প্রভাত সেনকে। পুজো কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, এরপরই তাঁদের তরফে যোগাযোগ করা হয় রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে। তাঁকে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পুজোর দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু এভাবে কোনও পুজোর দায়িত্ব নিতে একেবারেই রাজি হননি শমীক। তিনি স্পষ্টভাবেই জানান, তিনি পুজো কমিটির কোনও পদে থাকতে রাজি নন। তবে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানালে অবশ্যই যাবেন। এরপরই ১৬ জুলাই অর্থাৎ রথযাত্রার দিন খুঁটিপুজোয় তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। শমীক যাবেন বলে সম্মতি দিয়েছেন বলেই খবর।

Advertisement

এসবের মাঝেই মঙ্গলবার রটে যায় শমীক ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বের খবর। তা নজরে পড়তে খানিকটা বিরক্তই হন তিনি। এরপরই পুজোর চিফ অরগানাইজার বিকাশ মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বিজেপি নেতা। পরবর্তীকালে এক্স হ্যান্ডেলে গোটা বিষয়টা খোলসা করেছেন শমীক। তিনি লেখেন, “আমি কলেজ স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর সভাপতি নই। শুধু কলেজ স্কোয়ারই নয়, আমি রাজ্যের কোনও দুর্গাপুজোরই সভাপতি হব না। কোনও পুজো আয়োজনের দায়িত্বও নেব না।” সেখানেই তিনি আরও লেখেন, “একজন বিধায়ক বা মন্ত্রী তাঁর নিজের এলাকার কোনও পুজা কমিটির সভাপতি হতে পারেন, সেটা তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বিধায়ক, সাংসদ বা রাজনৈতিক দলের নেতারা রাস্তায় নেমে একের পর এক পুজো কমিটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবেন।”

 

তৃণমূল জমানায় দেখা গিয়েছিল, কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার সব বড় পুজোর মাথায় নেতা-মন্ত্রী। তা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। পালাবদলের পরই বিজেপির তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পরিকাঠামো-কোনও কিছুর রাজনীতিকরণ হবে না। এদিন ফের তা মনে করিয়ে দিলেন শমীক। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “দুর্গাপুজো সকলের, কোনও রাজনৈতিক দলের নয়।” তাঁর কথায়, “আমরা চাই উৎসবের আনন্দ জনগণের হাতেই থাকুক, রাজনীতির কবলে নয়।” উল্লেখ্য, এই কমিটিতে ছিলেন তাপস রায়, জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিজয় ওঝাও। তবে শমীকের ভট্টাচার্য অবস্থান স্পষ্ট করার পরই তাপস রায় জানিয়েছেন তিনিও কোনও পুজোর দায়িত্বে থাকবেন না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.