Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Trinamool Congress

বিরোধী দলের মর্যাদা এখনও কেন তৃণমূলকে দেওয়া হয়নি, ব্যাখ্যা বিধানসভার সচিবের

শোভনদেববাবু বলেন, "অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিরোধী দলনেতা হিসাবে আমিই অধ্যক্ষকে হাত ধরে তাঁর চেয়ারে বসিয়ে দিই। তা সত্ত্বেও কেন এমন ব্যবহার করা হচ্ছে?"

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ০৯:৪৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ০৯:৪৯

options
link
বিরোধী দলের মর্যাদা এখনও কেন তৃণমূলকে দেওয়া হয়নি, ব্যাখ্যা বিধানসভার সচিবের zoom
ফাইল ছবি।

কেন তৃণমূলকে এখনও বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া হয়নি সাংবাদিক বৈঠক করে তার ব্যাখ্যা দিলেন রাজ্য বিধানসভার সচিব সমরেন্দ্রনাথ দাস। বুধবার এ নিয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূল যে চিঠিটি পাঠিয়েছিল, সেটায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রকে ডেপুটি লিডার ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রস্তাবটি কবে পাস করা হয়েছিল, তার কোনও উল্লেখ নেই। এমনকী, ওই চিঠির সঙ্গে বিধায়কদের স্বাক্ষরও ছিল না। চিঠিটি দেখামাত্রই আমরা বিষয়টি অধ্যক্ষকে জানিয়েছিলাম।” সেই তথ্য পাওয়ার পরই অধ্যক্ষ বিষয়টি নিয়ে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়ে বলেন, যে বিধায়করা শোভনদেববাবুকে তাঁদের দলনেতা নির্বাচন করেছেন, তাঁদের স্বাক্ষর করা প্রস্তাবপত্র বিধানসভার সচিবালয়ে পাঠাতে হবে। এই সংক্রান্ত কোনও প্রস্তাবপত্র বুধবার পর্যন্ত জমা পড়েনি বলে খবর।

বলেন, “তৃণমূল যে চিঠিটি পাঠিয়েছিল, সেটায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রকে ডেপুটি লিডার ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রস্তাবটি কবে পাস করা হয়েছিল, তার কোনও উল্লেখ নেই। এমনকী, ওই চিঠির সঙ্গে বিধায়কদের স্বাক্ষরও ছিল না। চিঠিটি দেখামাত্রই আমরা বিষয়টি অধ্যক্ষকে জানিয়েছিলাম।”

এ নিয়ে বলতে গিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলে শোভনদেববাবু বলেন, “অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিরোধী দলনেতা হিসাবে আমিই অধ্যক্ষকে হাত ধরে তাঁর চেয়ারে বসিয়ে দিই। তা সত্ত্বেও কেন এমন ব্যবহার করা হচ্ছে?”

Advertisement

এহেন বিতর্কে বিধানসভার সচিবের জবাব, ”যে সব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, সেই সংক্রান্ত তথ্য অধ্যক্ষ চেয়ে পাঠাতেই পারেন। বিধানসভায় সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারী তিনিই।” এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কালীঘাটে দলের বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেখানেই বিধানসভার সচিবালয়কে নতুন করে চিঠি দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রে খবর। আর সেই চিঠি দেওয়া হলে বিরোধী দলনেতা নিয়ে নির্বাচন নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে তা কাটবে বলেই মনে করা হচ্ছে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.