Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Sujit Bose

আনন্দপুরে পুড়েছে ‘অনুমোদনহীন’ কারখানা! দমকলের ডিজিকে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শনে মন্ত্রী সুজিত বসু

অনুমোদনহীন কারখানা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সুজিত বসু জানান, 'প্রতি মাসে আমাদের ফায়ার অডিট হয়, দেখতে হবে এর ফায়ার অডিট হয়েছিল কিনা।'

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৩:৫৭

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৩:৫৭

options
link
আনন্দপুরে পুড়েছে ‘অনুমোদনহীন’ কারখানা! দমকলের ডিজিকে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শনে মন্ত্রী সুজিত বসু zoom
আনন্দপুরে ভস্মীভূত কারখানা এলাকায় দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, মঙ্গলবার সকালে।

রবিবার গভীর রাতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে আনন্দপুরের (Anandapur Fire) নাজিরাবাদে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে মোমো তৈরির কারখানা ও গুদাম। ওই কারখানার কোনও অনুমোদন ছিল না দমকলের তরফে, দেড়দিন পর দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) উপস্থিতিতে এমনই স্বীকারোক্তি শোনা গেল দমকল বিভাগের ডিজির গলায়! দিনের পর দিন অনুমোদনহীন কারখানা কীভাবে চলছিল, সেই প্রশ্ন উঠছে খুব স্বাভাবিকভাবেই।

নাজিরাবাদের কারখানা ও গুদামের সমস্ত সামগ্রী পুড়ে ছাই। নিজস্ব ছবি

মঙ্গলবার বেলা ১১টা নাগাদ নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডস্থলে পৌঁছন সুজিত বসু। ভস্মীভূত এলাকা ঘুরে দেখেন। দমকল আধিকারিকরা তাঁকে গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করেন। সর্বস্ব হারানো মানুষগুলোর সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ”খবর পাওয়ার পরপরই দমকলের ১২টি ইঞ্জিন পৌঁছে যায়, পরে ইঞ্জিন আরও বাড়ানো হয়। সারারাত কাজ করেছেন দমকল কর্মীরা। গতকাল ২৬ জানুয়ারি থাকায় অনেক জায়গায় ছুটি ছিল। কিন্তু সেসব বাতিল করেই দমকল বিভাগ যথেষ্ট পরিশ্রমের সঙ্গে কাজ করে আগুন নিভিয়েছে। কারখানার দরজা, জানলা কেটে কেটে উদ্ধার করা হয়েছে সকলকে। তবে এখনও কয়েকজন নিখোঁজ। আমরা সব খবর রাখছি।” কিন্তু দমকলের অনুমোদন ছাড়া কারখানা, গুদাম কীভাবে চলছিল এতদিন ধরে? এনিয়ে সুজিত বসুর বক্তব্য, ”আইনগতভাবে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, আমরা তা নিচ্ছি। সেইমতো পদক্ষেপ করা হবে। এফআইআর দায়ের করে তদন্ত হবে।”

Advertisement

আনন্দপুরের প্রত্যন্ত এলাকা নাজিরাবাদ। সেখানে নামী ফুড জায়েন্টের একটি কারখানা এবং গুদাম রয়েছে, যা কিনা দমকল বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই চলছিল। রবিবার রাতে সেখানেই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড ঘটে। কারখানার ভিতরে থাকা অন্তত ৩ শ্রমিকের মৃত্যুর খবর মেলে। ধীরে ধীরে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় আট। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিখোঁজের সংখ্যা বাড়তে থাকে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৫ জন নিখোঁজ। এঁরা সকলেই শ্রমিক এবং পূর্ব মেদিনীপুরের। জতুগৃহ হয়ে উঠেছে এলাকাটি।

স্বজনের খোঁজ পেতে অপেক্ষা মেদিনীপুরের পরিবারের। নিজস্ব ছবি

এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার বেলার দিকে সেখানে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তাঁকে এলাকায় ঢুকতে দেখে বিজেপির তরফে বিক্ষোভ দেখানো হলেও সেসব উপেক্ষা করেই সর্বহারা মানুষজনের কাছে পৌঁছে যান মন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন পাশে থাকার আশ্বাস দেন। 

নাজিরাবাদের পথে সুজিত বসুর গাড়ি ঘিরে বিজেপির বিক্ষোভ। ছবি: বিশ্বজিৎ নস্কর

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.