Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Amit Shah

SIR শুনানিতে ‘হয়রানি’র অভিযোগ তৃণমূলের, শাহের ঘোষণা, ‘অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে তাড়াব’

'মানুষ তো দূরের কথা, একটি পাখিও গলতে পারবে না', হুঙ্কার শাহের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ১৪:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ১৪:৩৭

options
link
SIR শুনানিতে ‘হয়রানি’র অভিযোগ তৃণমূলের, শাহের ঘোষণা, ‘অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে তাড়াব’ zoom
সল্টলেকে বিজেপির সদর দপ্তরে অমিত শাহ। ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এসআইআর পর্বের শুনানিতে অযথা নাগরিকদের হয়রানির অভিযোগে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি সরব রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে কলকাতায় তিনদিনের সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মঙ্গলবার সল্টলেকের বিজেপির সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হয়রানির অভিযোগের পালটা দিয়ে বললেন, ”বেছে বেছে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াব। আর সেই কারণেই এসআইআর হচ্ছে। কোনও মানুষ তো দূরের কথা, একটি পাখিও গলতে পারবে না। এমনভাবে কড়াভাবে কাজ করা হবে। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানোর কাজ তৃণমূল সরকারে করেনি, পারেওনি। এটা একমাত্র পারে ভারতীয় জনতা পার্টি।”

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের খসড়া তালিকায় প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। কিন্তু এই তালিকায় একজন বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গার নাম নেই বলে বারবার দাবি করেছে তৃণমূল। এমনকী দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও কটাক্ষের সুরে প্রশ্ন তুলেছেন, ”ক’জন বাংলাদেশি, রোহিঙ্গার নাম পেলেন?” কিন্তু কলকাতায় শাহ বলছেন অন্য কথা। ফের তাঁর অভিযোগ, ”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক বজায় রাখতে অনুপ্রবেশকারীদের বাধা দেয় না, তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয় না। আর এতে বিভিন্ন জায়গার জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। সেদিকে নজর নেই। বিজেপি বেছে বেছে অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে তাড়াবে।” 

Advertisement

শাসক নেতাদের কণ্ঠে বারবার এই অভিযোগও শোনা গিয়েছে, সীমান্তে অনুপ্রবেশ আটকানোর দায়িত্ব বিএসএফের। আর সীমান্ত রক্ষা বাহিনী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। তাহলে অনুপ্রবেশের জন্য রাজ্য সরকারকে দায়ী কেন করা হবে? মঙ্গলবার এর জবাবও দিলেন শাহ। তাঁর কথায়, ”সীমান্তে কাঁটাতার দিতে জমি প্রয়োজন। সেই জমি দিতে চায় না রাজ্য সরকার। বিএসএফকে যথাযথ পরিকাঠামো দিলে কবে তো তারা ঠিকমতো সীমান্ত রক্ষা করতে পারবে। জমি চেয়ে কেন্দ্র বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে চিঠি দিয়েছে, কিন্তু জমি পাওয়া যায়নি এখনও।” সেইসঙ্গে তিনি এও মনে করিয়ে দিলেন যে শুধু বাংলা কিংবা সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে নয়, গোটা দেশেরই সমস্যা।  এই সমস্যার নির্মূল না হলে বড় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। আর বিজেপি তা রুখে দিতে সক্ষম। তাঁর বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট, অনুপ্রবেশ ইস্যু ছাব্বিশের নির্বাচনের বড় একটা ফ্যাক্টর। 

এনিয়ে তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া, ”অনুপ্রবেশের কথা বলছেন! আরে আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অনুপ্রবেশ হলে সেটা আপনার ব্যর্থতা। এই তো কয়েকদিন আগে রোহিঙ্গা, বাংলাদেশিরা ধরা পড়েছে। কোথা থেকে ধরা পড়েছে? দেখুন ভালো করে। কথা বলার আগে ভেবে বলুন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.