Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Amit Shah

‘সোনার বাংলা গড়তে চাই’, পুজো উদ্বোধন করে মায়ের কাছে ‘সুযোগ’ চাইলেন শাহ

বাংলা অস্মিতাতেও শান দেন অমিত শাহ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ১২:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ১২:৪৬

options
link
‘সোনার বাংলা গড়তে চাই’, পুজো উদ্বোধন করে মায়ের কাছে ‘সুযোগ’ চাইলেন শাহ zoom
Advertisement

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: পুজো উদ্বোধনে গিয়েও বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের ডাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। মহালয়ার আগে থেকেই উৎসবের সূচনা হয়ে গিয়েছে বাংলায়। কার্যত বৃষ্টি মাথায় নিয়েই প্যান্ডেল হপিংয়ে বাঙালি। আজ শুক্রবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোর উদ্বোধন করেন অমিত শাহ। ঘুরে দেখেন পুজো মণ্ডপ। পরে মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ”মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি, এবার বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় এমন সরকার গঠন হোক যাতে সোনার বাংলা নির্মাণ সম্ভব হয়।” শুধু তাই নয়, বাংলা অস্মিতাতেও শান দেন।

এদিন সকালে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক সেরেই সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের মণ্ডপে পৌঁছে যান শাহ। জয় শ্রী রাম, ভারত মাতা কি জয়ের স্লোগানে সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হয়। গোটা মণ্ডপ ঘুরে দেখার পাশাপাশি মণ্ডপে মায়ের পুজো এবং আরতিও করেন।

Advertisement

পুজোর থিমের অডিও ভিজুয়ালও দেখান শাহ। পরে মঞ্চ থেকে বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের ডাক দেন। শাহ বলেন, ”মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি, নির্বাচনের পর এবার সরকার গঠন হোক যাতে সোনার বাংলা নির্মাণ সম্ভব হয়।” শুধু তাই নয়, বাংলা অস্মিতাকে শান দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, ” আমাদের বাংলা পুনরায় সুরক্ষিত, সমৃদ্ধ, শান্ত, সুজলা সুফলা হোক। এখানে কবিগুরুর কল্পনার বাংলার নির্মাণ যাতে আমরা করতে পারি।” অন্যদিকে পুজো উদ্বোধনের মঞ্চ থেকেই অমিত শাহ বিদ্যাসাগরকে স্মরণ করলেন। বলা ভালো, ভূয়সী প্রশংসা করলেন ইশ্বরচন্দ্রের। যদিও সবটাই ৬ বছর আগের ‘পাপক্ষয়ে’র চেষ্টা হিসাবে দেখা হচ্ছে।

এদিন সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো উদ্বোধনের মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলার শিক্ষার প্রসারে বিদ্যাসাগরের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। শাহের কথায়, “শুধু বাংলা নয়, গোটা দেশে শিক্ষার প্রগতি আর নারীশিক্ষার জন্য বিদ্যাসাগর যে অবদান রেখেছেন, তা ভোলার নয়। বাংলার সংস্কৃতি, বাংলার ব্যকরণ আর নারী শিক্ষার প্রসারে পুরো জীবন সমর্পণ করেছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। আজ আমি আমার তরফে আর বিজেপির কোটি কোটি কর্মীর তরফে বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধার্ঘ্য।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.