Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল

‘শান্তিনিকেতনে’ বেআইনি নির্মাণ! সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে মেজাজ হারিয়ে কী বললেন অভিষেক?

এদিন কালীঘাটে কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক সেরে বেরতেই তাঁর বাড়ির অবৈধ নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। সেখানেই কার্যত রেগে আগুন অভিষেক!

Advertisement
রমেন দাস
রমেন দাস

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৬, ২০:২৮

link
রমেন দাস
রমেন দাস

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৬, ২০:২৮

options
link
‘শান্তিনিকেতনে’ বেআইনি নির্মাণ! সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে মেজাজ হারিয়ে কী বললেন অভিষেক? zoom
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি।

জনতার রায়ে শাসকের গদি হারাতেই ঘরে-বাইরে সাঁড়াশি চাপে পড়েছেন তৃণমূলের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে যেমন উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে জল গড়িয়েছে আদালতে। অন্যদিকে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবাদলের পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অগাধ প্রতিপত্তি’ও প্রশ্নের মুখে। গত সোমবারই অভিষেকের দুটি ঠিকানা কালীঘাট রোড, হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতে নোটিস যায় কলকাতা পুরসভার। বাড়তি কোনও নির্মাণ হলে কি পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল? সেই বিষয় জানতে চেয়েই নোটিস গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কাছে। শান্তিনিকেতনের বেআইনি অংশ ভাঙারও নির্দেশ দেয় কলকাতা পুরসভা। নজরে অভিষেকের ১৭ সম্পত্তিও। এদিন কালীঘাটে কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক সেরে বেরতেই তাঁর বাড়ির অবৈধ নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। সেখানেই কার্যত রেগে আগুন অভিষেক! রীতিমতো আঙুল তুলে ধমকের সুর শোনা গেল তাঁর গলায়। বলেন, “নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন বাড়ির কোন অংশটা অবৈধ। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, উত্তর দেব।”

পরিবর্তনের ঝড়ে নবান্নের ক্ষমতা হাতছাড়া হওয়ার পর পুরসভা বাঁচাতে মরিয়া ঘাসফুল শিবির। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কলকাতা পুরসভায় ভাঙনের আগাম আঁচ পেতেই কাউন্সিলরদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নেত্রীর নির্দেশ মতো শুক্রবার বিকেল চারটেয় কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলররা পৌঁছে যান বৈঠকে। কলকাতা পুরসভার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকেও এদিন বাড়ি ভাঙার বিষয়টিও উঠে আসে আলোচনায়। সূত্রের খবর, এবিষয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এভাবে বিনা নোটিসে বাড়ি ভাঙা যায় না। তার নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি আছে। পুরসভারও নিয়মকানুন আছে। হিয়ারিং করতে হয়। নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে অভিযুক্তদের বক্তব্য শুনতে হয়। আইনি পরামর্শ নিতে হয়। নোটিস না দিয়ে বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙতে চলে এলাম, এমন জিনিস কোথাও হয় না, করাও যায় না। এখানে গা-জোয়ারির কাজ চলছে।’ শুক্রবার বৈঠক শেষে বেরনোর মুহূর্তেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্মাণের বৈধতা নিয়ে পুরসভার নোটিস সংক্রান্ত প্রশ্ন করতেই রীতিমতো ‘ফায়ার মোডে’ সাংবাদিকদের দিকে আঙুল উঁচিয়ে অভিষেক বলেন, “বাড়ির কোন অংশ অবৈধ আগে জেনে আসুন। তারপর আমি উত্তর দেব।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই কোনও রাখঢাক না রেখেই অভিষেকের বিরুদ্ধে চাপা ক্ষোভ উগরে দিতে শুরু করেন দলের নেতারাই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানো একের পর এক নোটিস নিয়েও খোদ কলকাতা পুরসভার মেয়র ‘হ্যান্ডস আপ’ করে নিয়েছেন। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে কুণাল ঘোষ সকলেই এই প্রসঙ্গকে ‘ব্যক্তিগত বিষয়’ বলেই এড়িয়ে গিয়েছেন। কিন্তু খোদ যাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি  সম্পত্তির অভিযোগ, তাঁর উদ্দেশে প্রশ্ন যেতেই তেলে বেগুনে রেগে উঠলেন। পালটা সাংবাদিকদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে কী বোঝাতে চাইলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.