ক্যামাক স্ট্রিট ইস্যুতে (Camac Street Case) এফআইআরের অনলাইন কপি নিয়ে পুলিশকে পালটা ইমেল করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। মঙ্গলবার তাঁকে শেক্সপিয়র সরণি থানায় তলব করা হয়েছিল। তার ঠিক আগেই ইমেল পাঠালেন অভিষেক। ক্যামাক স্ট্রিটের পার্টি অফিস থেকে ‘বেআইনি’ বিলবোর্ড খোলা নিয়ে অভিষেকের বাড়িতে নোটিস পাঠানো হলেও অভিযোগ, সেই এফআইআর বা নোটিসের কপি কলকাতা পুলিশের ওয়েবসাইটে নেই। সেই প্রশ্ন তুলেই রবিবার রাতে পুলিশকে ইমেল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী অর্ক নাগ। কলকাতা পুলিশও পালটা প্রমাণ-সহ ওয়েবসাইটে আপলোড করা নথি দেখিয়ে দিয়েছে।তবে মঙ্গলবার থানায় সাংসদ হাজিরা দেবেন কিনা, তা এখনও অজানা।
রবিবার রাতে অভিষেকের আইনজীবী অর্ক নাগ জানান, ‘‘ক্যামাক স্ট্রিটের পার্টি অফিসে বিলবোর্ড খোলা মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশ নোটিস দিলেও কলকাতা পুলিশের ওয়েবসাইটে সেই নোটিস বা এফআইআরের কপি নেই। বারবার এমন হচ্ছে। তাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে একটা ইমেল পাঠানো হয়েছে পুলিশকে। প্রশ্ন করা হয়েছে, কেন ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়নি। সেটা একটা ত্রুটি বলে পুলিশকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।” তবে পুলিশও পালটা ওয়েবসাইটে আপলোড করা নথি দেখিয়েছে প্রমাণ হিসেবে।
আরও পড়ুন:
ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট। ওই বিকেলে বেশ কয়েকজন পুরকর্মী এবং পুলিশ আধিকারিক অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের পার্টি অফিসে পৌঁছন। তাঁদের সঙ্গে ছিল গ্যাসকাটার। জানানো হয়, এখানকার বিলবোর্ডটি বেআইনি, তা খুলে ফেলতে হবে। খবর পেয়ে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। বিলবোর্ড খোলার অর্ডার কপি দেখতে চান। অভিষেকের দাবি, পুরকর্মীরা তা দেখাতে পারেননি। তা নিয়ে দু’পক্ষের বাকবিতণ্ডাও হয়। তৃণমূল সাংসদ প্রশ্ন তোলেন, নিজের অফিসের বাইরে কী বোর্ড লাগানো হবে, তা কি পুরসভা ঠিক করবে? পুলিশের তাগিদ পুরসভার থেকে বেশি। পুর আধিকারিকদের ক্যামাক স্ট্রিটে যাওয়া বেআইনি বলেও তোপ দেগেছিলেন তিনি।
এরপর রবিবার রাতে অভিষেকের আইনজীবী অর্ক নাগ জানান, ‘‘ক্যামাক স্ট্রিটের পার্টি অফিসে বিলবোর্ড খোলা মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশ নোটিস দিলেও কলকাতা পুলিশের ওয়েবসাইটে সেই নোটিস বা এফআইআরের কপি নেই। বারবার এমন হচ্ছে। তাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে একটা ইমেল পাঠানো হয়েছে পুলিশকে। প্রশ্ন করা হয়েছে, কেন ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়নি। সেটা একটা ত্রুটি বলে পুলিশকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।” তবে পুলিশও পালটা ওয়েবসাইটে আপলোড করা নথি দেখিয়েছে প্রমাণ হিসেবে। উল্লেখ্য, এই একই মামলায় আজ, সোমবার দলের বর্ষীয়ান সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েনকেও ডেকে পাঠানো হয়েছিল শেক্সপিয়র সরণি থানায়। কিন্তু তিনি হাজিরা এড়িয়ে ৭ দিন সময় চেয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘নন্দীগ্রাম-হলদিয়া ব্রিজে প্রথম আমার গাড়ি নিয়ে যাব’, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্যে কল্পতরু ‘ঘরের ছেলে’ শুভেন্দু
-
‘পথে হোক বা পেটে, তোকে মরতে দেব না’, অনির্বাণকে ভরসা জোগান দেব, ‘হিটলার’ বলে খোঁচা কাকে?
-
ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক মোদির, কথা পুতিনের সঙ্গেও, বিশকেকে আমেরিকাকে ‘তৃতীয় অক্ষে’র বার্তা দিল্লির!
-
ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান একসুর! চাপের মুখে পরিকাঠামো নিয়ে সাফাই দিল এশিয়াড আয়োজকরা
-
‘এই ম্যাচিওরিটি তখন থাকলে আমরা আলাদা হতাম না,’ দেবের কথা শুনেই শুভশ্রী…