Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Abhijit Ganguly

‘রাজ্যে অবিলম্বে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা উচিত’, আর জি কর কাণ্ডে বিস্ফোরক অভিজিৎ

রাজ্যপালের কাছে তিনি এই মর্মে আর্জি জানিয়েছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৪, ০৮:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৪, ০৮:৩৪

options
link
‘রাজ্যে অবিলম্বে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা উচিত’, আর জি কর কাণ্ডে বিস্ফোরক অভিজিৎ zoom
Advertisement

রমেন দাস: আর জি কর কাণ্ডে পথে নেমেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চড়া সুরে আক্রমণ করলেন প্রাক্তন বিচারপতি তথা তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী নিজে আর জি কর ধর্ষণ কাণ্ডের সব তথ্যপ্রমাণ লোপাট করিয়েছেন। এমনকী রাজ্যে অবিলম্বে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা উচিত বলেও দাবি করেছেন তিনি। 

বিচারপতির আসন ছেড়েই সোজা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন অভিজিৎ। তারপরই লোকসভা ভোটে প্রার্থী। সে অর্থে কোনও রাজনৈতিক আন্দোলনে এর আগে নামতে হয়নি প্রাক্তন বিচারপতিকে। এই প্রথম রাজনৈতিক আন্দোলনে নামলেন তিনি। বুধবার আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে রাস্তায় নামে বিজেপি। কর্মসূচিতে ছিলেন অগ্নিমিত্রা পল, রুদ্রনীল ঘোষরা। তাঁদের সঙ্গেই ছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি। সেখানে থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন অভিজিৎ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা! RG Kar কাণ্ডকে উন্নাও-হাথরাসের সারিতে বসালেন রাহুল গান্ধী

তাঁর দাবি, আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তের ভার সিবিআই নেওয়ার আগেই পুলিশ তথ্যপ্রমাণ ‘লোপাট’ করে দিয়েছে। আর সেটা করিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিজিতের কথায়, ‘‘ রাজ্যে নারীদের নিরাপত্তা নেই, অথচ অভিযুক্তকে শাস্তি দেওয়ার পরিবর্তে তাকে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে নেমে পড়েছেন তথ্য লোপাটের কাজে।” অভিজিতের দাবি, প্রমাণ লোপাটের লক্ষ্যে ধৃত সঞ্জয় রায়ের উপযুক্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করায়নি রাজ্য সরকার।

[আরও পড়ুন: ‘অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা হচ্ছে!’ আর জি কর কাণ্ডে বিস্ফোরক বিজেপি]

রাজ্যে অবিলম্বে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের দাবিও জানিয়েছেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ। রাজ্যপালের কাছে তিনি এই মর্মে আর্জি জানিয়েছেন। তাঁর কথা অনুযায়ী, “রাজ্যে আইনের শাসন চলছে না। বিচারপতি থাকার সময়েই আমি বলেছিলাম, এই রাজ্যে আইনের শাসনের পরিবর্তে শাসকের আইন চলছে। এ বার সেটা ফের প্রমাণিত হল।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.