Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Kasba Fake Call Centre

ডায়েরিতে লেখা প্রতারণার ‘স্ক্রিপ্ট’, কসবার ভুয়ো কলসেন্টারে অভিযান চালিয়ে ধৃত ৬৭

ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন, চার্জার, ডায়েরি উদ্ধার করা হয়। সেই ডায়েরিতে লেখা ছিল প্রতারণার একাধিক 'স্ক্রিপ্ট'।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬, ১৮:০৭

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬, ১৮:০৭

options
link
ডায়েরিতে লেখা প্রতারণার ‘স্ক্রিপ্ট’, কসবার ভুয়ো কলসেন্টারে অভিযান চালিয়ে ধৃত ৬৭ zoom
কসবার ভুয়ো কল সেন্টারে অভিযান পুলিশের। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

কসবা থানা এলাকায় দুটি ভুয়ো কল সেন্টারে (Fake Call Centre) অভিযান চালিয়ে মোট ৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করল কলকাতা পুলিশ। ধৃতরা টার্গেটদের ফোন করে জিও, এয়ারটেল-সহ নামী কোম্পানির টাওয়ার বসানোর নামে প্রতারণা করতেন বলে অভিযোগ। এছাড়াও বিমা পলিসি ও ব্যাঙ্ক ঋণ দেওয়ার নামেও প্রতারণা করা হত। বুধবার দুপুরে গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে কসবা এলাকার দুটি ঠিকানায় অভিযান চালায় পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন, চার্জার, ডায়েরি উদ্ধার করা হয়। সেই ডায়েরিতে লেখা ছিল প্রতারণার একাধিক ‘স্ক্রিপ্ট’।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে কসবা (Kasba) থানার রাজডাঙা মেন রোডের একটি ঠিকানায় অভিযান চালায় পুলিশ। অফিসের মতো সাজানো ওই জায়গায় বেশ কয়েকজনকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানান, তাঁরা রোবাস্ট ডিজিটাল সলিউশনের কর্মী। তাঁরা দেশের বিভিন্ন নাগরিককে ফোন করে কখনও রিলায়েন্স জিও, কখনও এয়ারটেল, কখনও বিভিন্ন ব্যাঙ্ক বা বিমা সংস্থার কর্মী হিসেবে পরিচয় দিতেন। টাওয়ার বসানোর জন্য জিও, এয়ারটেল সংস্থার নাম করে আকর্ষণীয় রিটার্নের প্রলোভন দিতেন অভিযুক্তরা। তবে তাঁর আগে প্রসেসিং ফি হিসেবে চাওয়া হত ৯০ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকা। কিন্তু টাকা পাওয়ার পর আর কোনও পরিষেবা দেওয়া হত না। এছাড়াও বিভিন্ন বিমা সংস্থার পলিসিতে বিনিয়োগের নামে স্বাস্থ্যবিমা ও বিপুল রিটার্নের প্রতিশ্রুতি দিতেন প্রতারকরা। কম সুদে ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামেও করা হত প্রতারণা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গত ৬ মাসে প্রায় ১০০টি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রতারণা করা হয়েছে। বিশ্বাস অর্জনের জন্য টার্গেটদের বিভিন্ন নামী সংস্থা, ব্যাঙ্ক এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে জাল অনুমোদনপত্রও দেখানো হয়। দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে মোট ৭১ টি মোবাইল উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃত মোট ৬৭ জনের বেশিরভাগই কলকাতার বাসিন্দা। তাঁদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৬, ৬৬সি, ৬৬ডি, ৮৪বি ও ৪৩ ধারার পাশাপাশি ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.