Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
21 July Shahid Diwas

জেলা সফরে মমতা, ব্রিগেড চলোর ডাক কংগ্রেসের! গেরুয়া বাংলায় অক্সিজেন খোঁজার চেষ্টা?

দিল্লিতে ককরোচদের আন্দোলনে যাওয়ার কথাও বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ১৮:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ১৮:১০

options
link
জেলা সফরে মমতা, ব্রিগেড চলোর ডাক কংগ্রেসের! গেরুয়া বাংলায় অক্সিজেন খোঁজার চেষ্টা? zoom
জেলা সফরে মমতা, ব্রিগেড চলোর ডাক কংগ্রেসের!
Advertisement

ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই নিজেকে কার্যত ‘ঘরবন্দি’ রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে যখন তাঁর নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার হচ্ছেন, ছোঁড়া হচ্ছে ডিম। সেই সময়েও তাঁকে সেভাবে দেখা যায়নি। আতঙ্কে নেতাকর্মীরা। এহেন পরিস্থিতিতে কর্মীদের মনোবল এবং অক্সিজেন জোগাতে ফের একবার ময়দানে নামার ঘোষণা মমতা বন্দোপাধ্যায়ের। যাবেন জেলাসফরে। শুধু তিনিই নন, বদলের বাংলায় অক্সিজেন পাওয়ার চেষ্টা করল কংগ্রেসও। ব্রিগেড সমাবেশের ডাক প্রদেশ সভাপতির। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের রিপোর্ট কেন চাপা হল? তা নিয়ে সুর চড়ালেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তবে এদিন তাৎপর্যপূর্ণভাবে সবার নজর ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। কারণ রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম বড় কর্মসূচি। তাও আবার ২১ জুলাইয়ের মতো কর্মসূচি (21 July Shahid Diwas)। ফলে সেই মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলেন সেদিকে নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।

দিল্লিতে ককরোচদের আন্দোলনে যাওয়ার কথাও বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, ”সমর্থন আগেও ছিল, দরকারে ককরোচের আন্দোলনে আমি নিজেও যাব।” 

ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরই থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘর ভেঙে খান-খান। একসময় তাঁর দলের মধ্যমণিরাই আজ তাঁর বিপরীত গোষ্ঠী অর্থাৎ ঋতব্রত শিবিরে। আর তাই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় প্রথম থেকেই ছিল ঋতব্রত অর্থাৎ আসল ‘তৃণমূল’। কারও নাম না করে নেত্রী ওই শিবিরকেই স্পষ্ট বার্তা দিলেন “বিজেপিতে যান। যত যাবেন খুশি হব। যে স্থান শূন্য হবে, তা পূরণের জন্য আমার ছাত্র, যুব আছে।” এরপরই যোগ করেন, “চোরগুলো বিজেপিতে চলে গিয়েছে। আর ফেরত নেব না। কর্মীরা সবাই আছে।” শুধু তাই নয়, দলের প্রতীক নিয়ে যে টানাটানি চলছে তা নিয়েও বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “তুমি প্রতীক কাড়লে, আমি ছাড়ব না। আমাদের প্রতীক কাড়তে পারে না। গায়ের জোরে করছে। আমি সুপ্রিম কোর্ট অবধি যাব। আর নাহলে আমি তোমাদেরও সবটা কেড়ে নেব।”

Advertisement

শুধু তাই নয়, সংগঠনকে  ফের মজবুত করার লক্ষ্যে জেলায় যাওয়ার বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি জানান, ”ঘর ছেড়ে বেরতে হবে। রাস্তায় থাকতে হবে। আর তা জেলা, ব্লক থেকে শুরু হবে। আমরা সবাই জেলায় যাব। জেলে যাওয়ার জন্য আমরা তৈরি। কিছু যায় আসে না।” শুধু তাই নয়, দিল্লিতে ককরোচদের আন্দোলনে যাওয়ার কথাও বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, ”সমর্থন আগেও ছিল, দরকারে ককরোচের আন্দোলনে আমি নিজেও যাব।” 

শহিদ মিনারে ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে অধীর চৌধুরী। ছবি- ব্রতীন কুণ্ডু।

শুধু তাই নয়, তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াইয়ে ‘অক্সিজেন’ পাওয়ার চেষ্টা চালাল কংগ্রেসও। শহিদ মিনারের মঞ্চ থেকে ‘ব্রিগেড চলো’র ডাক দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতা দিবসের আগে একগুচ্ছ কর্মসূচিও ঘোষণা করলেন তিনি। এদিন প্রদেশ সভাপতির ঘোষণা, আগামী বছর ব্রিগেডে সভা করা হবে। ১৫ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটা দিন ঠিক হবে। ব্রিগেড সমাবেশে খোদ রাহুল গান্ধী উপস্থিত থাকবে বলেও ঘোষণা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির। শুধু তাই নয়, আগামী ৯ আগস্ট থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মীদের পথসভা করার ডাক দেন প্রদেশ সভাপতি। তিনি জানান, শ্যামাপ্রসাদের বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিবাদ হবে, তারপর ১৫ আগস্ট জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.