Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Kalyan Banerjee

বলেই চলেছেন কল্যাণ, থামতে বলায় মমতার সঙ্গেই ‘ঝগড়া’! পরিস্থিতি সামলাতে আসরে শোভনদেব-অভিষেক

একুশে জুলাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে মমতার মঞ্চে অসৌজন্যের নজির!

রমেন দাস
রমেন দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ২০:০৪

link
রমেন দাস
রমেন দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ২০:০৪

options
link
বলেই চলেছেন কল্যাণ, থামতে বলায় মমতার সঙ্গেই ‘ঝগড়া’! পরিস্থিতি সামলাতে আসরে শোভনদেব-অভিষেক zoom
মমতার একুশের মঞ্চে নজিরবিহীন ছবি, দলনেত্রীর সঙ্গেই বাকবিতণ্ডা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের
Advertisement

ব্যতিক্রমী একুশে জুলাইয়ে ব্যতিক্রমী ঘটনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শহিদ স্মরণ মঞ্চে। মঙ্গলবার এই মঞ্চেই প্রকাশ্যে বাকবিতণ্ডায় জড়ালেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। রীতিমতো কথা কাটাকাটি চলল। এবং নেত্রীর সঙ্গে এভাবে ‘ঝগড়া’ করে মঞ্চ ছেড়েই চলে গেলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ! অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নেমেছিলেন বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু লাভ হয়নি কিছু। রাগে অগ্নিশর্মা কল্যাণকে কেউ সামলাতে পারেননি।

ঠিক কী ঘটনা ঘটল বিড়লা তারামণ্ডলের একুশে জুলাই মঞ্চে? জানা যাচ্ছে, এদিন বিজেপি এবং তৃণমূলের আরেক শিবিরকে আক্রমণ করে যাচ্ছিলেন বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্য দীর্ঘ থেকে দীর্ঘায়িত হচ্ছিল। আলাদা করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষদের নাম উল্লেখ করে তাঁদের কটাক্ষ করেন। এভাবে কেটে যায় সাড়ে ২২মিনিট! বক্তাতালিকা থেকে একে একে বাদ পড়ে যান সাংসদ মহুয়া মৈত্র, দোলা সেনরা। এসবের জেরে বেশ ‘বিরক্ত’ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি ইশারায় ভাষণ সংক্ষিপ্ত করতে বলেন। কিন্তু তাতে গুরুত্ব না দিয়ে বলতেই থাকেন কল্যাণ। বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ তখন তাঁর কাছে গিয়ে ভাষণ শেষ করার কথা বলেন। তখন কল্যাণ নিজের বক্তব্য শেষ করে ফিরে আসেন মঞ্চে। তখন দলনেত্রী তাঁকে রীতিমতো ভর্ৎসনা করেন। পরবর্তী সময়ে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেওয়ার পরামর্শ দেন। 

Advertisement

তা শুনেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়! তিনি পালটা মমতাকে বলতে থাকেন যে অন্য সাংসদদের তুলনায় দলে তাঁর কী অবদান। এরপর তিনি আর চেয়ারে না বসে মঞ্চ থেকে সরে যান। তাঁকে সামলাতে যান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেন কল্যাণকে। কিন্তু কারও কথা শোনেননি শ্রীরামপুরের সাংসদ। বরং রাগে গজগজ করতে থাকেন। খোদ দলনেত্রীর সঙ্গে প্রকাশ্য মঞ্চে তাঁর এই ‘ঝগড়া’ একুশে জুলাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে অসৌজন্যের নজির হিসেবে রয়ে গেল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.