Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৭ জুন ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
TMC

বঙ্গে ‘অপারেশন পদ্ম’, বিজেপির পথে তৃণমূলের একাধিক সাংসদ

তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য হাওয়া বুঝতে পেরেই দল ধরে রাখার প্রচেষ্টায় নেমেছে। কারণ, এঁদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক আস্থাভাজনের নাম আছে বলে খবর। 

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ১৯:২০

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ১৯:২০

options
link
বঙ্গে ‘অপারেশন পদ্ম’, বিজেপির পথে তৃণমূলের একাধিক সাংসদ zoom
ফাইল ছবি।

অনেকেই মনে করেছিল ঘটনাটা ঘটবে বিধানসভায়। কিন্তু রাজ্য পেরিয়ে সেই ঘটনাই ঘটতে চলেছে জাতীয় রাজনীতিতে। সেখানেই ‘অপারেশন পদ্ম’। লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা এই মুহূর্তে ২৯। এঁদের মধ্যে ডজন খানেক সাংসদ বিজেপিতে (BJP) যোগ দেওয়ার অথবা তাদের সমর্থন জানানোর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলেছেন বলে সূত্রের খবর। তালিকায় রয়েছে আরও পাঁচ-ছয় জনের নাম। দল ভাঙার জন্য বিজেপি নেতৃত্বের সবুজ সংকেতও তাঁদের মিলে গিয়েছে।

লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা এই মুহূর্তে ২৯। এঁদের মধ্যে ডজন খানেক সাংসদ বিজেপিতে যোগ দেওয়ার অথবা তাদের সমর্থন জানানোর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলেছেন বলে সূত্রের খবর। তালিকায় রয়েছে আরও পাঁচ-ছয় জনের নাম।

জানা গিয়েছে, আপাতত চূড়ান্ত সংখ্যা নিয়ে চর্চা চলছে। কারণ, দলত্যাগ বিরোধী আইন বাঁচাতে যে কজন সাংসদের প্রয়োজন হয় তা চূড়ান্ত করেই এই দলবদল হতে পারে। আগামী বর্ষাকালীন অধিবেশনে চিত্রটা স্পষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা। তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব অবশ্য হাওয়া বুঝতে পেরেই দল ধরে রাখার প্রচেষ্টায় নেমেছে। কারণ, এঁদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক আস্থাভাজনের নাম আছে বলে খবর। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

১২-র পর আরও ছয়, অর্থাৎ ১৮। কথা চলছে আরও জনা দুয়েকের সঙ্গে। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা ২০ ছুঁয়ে ফেললেও আশ্চর্যের নয়। লোকসভায় তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা ২৯-এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ বা সহজ হিসাবে সাড়ে ৬৬ শতাংশ সদস্য একসঙ্গে দল ভাঙলে তাঁদের আর দলত্যাগ বিরোধী আইনে পড়তে হবে না। এই হিসাবে ২৯ জন সদস্যের মধ্যে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ১৯-২০। সেই হিসাব ইতিমধ্যে তৃণমূল ভাঙায় ‘আগ্রহী’ সাংসদরা সেরে ফেলেছেন বলে খবর। লোকসভা বা উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় বিজেপি বা এনডিএ তাদের সাংসদদের এভাবে শক্তি বাড়ানোর লক্ষ্য কী? একটাই, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জেরে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ-সহ পরপর সারিতে থাকা যাবতীয় বিল পাসে কার্যত কোনও বিরোধী বাধার মুখে আর পড়তে হবে না। লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদদের নিয়ে এই ‘অপারেশন লোটাস’ পর্ব উতরে গেলে বিজেপির পরের টার্গেট তাই রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদরা।

১২-র পর আরও ছয়, অর্থাৎ ১৮। কথা চলছে আরও জনা দুয়েকের সঙ্গে। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা ২০ ছুঁয়ে ফেললেও আশ্চর্যের নয়। লোকসভায় তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা ২৯-এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ বা সহজ হিসাবে সাড়ে ৬৬ শতাংশ সদস্য একসঙ্গে দল ভাঙলে তাঁদের আর দলত্যাগ বিরোধী আইনে পড়তে হবে না। এই হিসাবে ২৯ জন সদস্যের মধ্যে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ১৯-২০। সেই হিসাব ইতিমধ্যে তৃণমূল ভাঙায় ‘আগ্রহী’ সাংসদরা সেরে ফেলেছেন বলে খবর।

বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভাগুলি। পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদও ভাঙনের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত বিজেপি কাউকে দলে নেবে না বলে ঘোষণা করলেও তলে তলে প্রস্তুতি রয়েছে। তবে বিজেপির কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ লোকসভায় তৃণমূল দলে ভাঙন। এমনিতেই সংসদে তাদের ২৪০ জন সাংসদ রয়েছেন। চন্দ্রবাবু নায়ডু ও নীতীশ কুমারের উপর ভরসা করে সরকার চলছে। এই অবসরে তৃণমূল ভেঙে যদি ডজনের বেশি সাংসদ দলে আনা যায় তা হলে বিজেপির শক্তি অনেকটা বেড়ে যাবে। কমবে শরিক নির্ভরতা। সেই প্রেক্ষিতেই বাংলায় তৃণমূল সাংসদদের ভাঙন নিয়ে আলোচনা চলছে। তৃণমূলের ভিতরে যে কোন্দল দেখা দিয়েছে তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কীভাবে এই ভাঙন রোধ করেন তা দেখার। সাংসদদের অধিকাংশের অভিযোগ আইপ্যাকের আচার-আচরণ নিয়ে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও তাঁদের মনে অসন্তোষ রয়েছে। লোকসভার পর রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদদের নিয়ে বিজেপির পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়ে গেলে সেখানকার ১৩ জন সাংসদকে নিয়েও প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে। যাঁদের মধ্যে অনেকের সঙ্গেই বিজেপির কথা চলছে বলে খবর।

সব চর্চা মিলে গেলে পাঞ্জাবের সঙ্গে এক সূত্রে মিলে যাবে বাংলা। পাঞ্জাবে ২০২৭ সালে বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে পাঞ্জাব থেকে আপের রাজ্যভার ৬ জন সাংসদ-সহ মোট ৭ জন দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। সেখানে ১০ জন সাংসদ আপের। ফলে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সাংসদ আপ ভেঙে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় দলবিরোধী আইনের আওতায় তাঁরা পড়েননি। যে দলবদলের ফলে রাজ্যসভায় আপের শক্তি ১০ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৩-এ। আবার বিজেপির সংখ্যা ১০৬ থেকে বেড়ে ১১৩ হয়েছে। সঙ্গে এনডিএ-র শক্তি ১৪১ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪৮। পাঞ্জাবের আপ সাংসদদের দলবদল যখন প্রায় চূড়ান্ত তখনই আলোচনায় উঠে আসে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল। কারণ, এখানে বিজেপি জিতে গেলে পাঞ্জাবে আপের উপর চাপ আরও বাড়ত। হলও তাই। লুটিয়ান দিল্লির পাওয়ার করিডরের খবর, বাংলার ফলাফল বিজেপির সেই সমীকরণকেই সরল করে দেয়। তার সঙ্গে দরাজ করে খুলে দেয় বাংলার দরজাও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.