Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Jharkhand

বাতিল নিয়োগ! ‘চাইলে বিয়ে ভাঙতে পারো’, চাকরি হারানোর আশঙ্কায় স্ত্রীকে বললেন ঝাড়খণ্ডের যুবক

গত গত কয়েকদিনে ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়াদের আন্দোলনের ঝাঁজ ক্রমশ বাড়ছিল। রবিবার সন্ধ্যায় রাঁচিতে হেমন্ত সোরেন এবং রাহুল গাঁধীর কুশপুতুল দাহ করেছিলেন পড়ুয়ারা। এইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে হেমন্তের ইস্তফার দাবি তোলা হয়। পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে হেমন্তকে চিঠি লেখেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৫:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৫:১১

options
link
বাতিল নিয়োগ! ‘চাইলে বিয়ে ভাঙতে পারো’, চাকরি হারানোর আশঙ্কায় স্ত্রীকে বললেন ঝাড়খণ্ডের যুবক zoom
ছাত্রদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত ঝাড়খণ্ড। ফাইল ছবি।
Advertisement

আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে পরীক্ষা বাতিলের ঘোষণা করেছে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) হেমন্ত সোরেন সরকার। ২০১৪ সালের পর থেকে পরীক্ষা পরিচালনা সংস্থা টিডিপিএলের সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা বাতিল করা হবে। পাশাপাশি, টিডিপিএল-এর মাধ্যমে হওয়া সমস্ত নিয়োগও বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। এরপরই অনিশ্চয়তায় ভুগছেন বহু চাকরিরতরা। চরম উদ্বেগে এক যুবক বিয়ে ভেঙে দেওয়ার জন্য আর্জি জানিয়েছেন স্ত্রীকে।

২০২৪ সালে স্টাফ সিলেকশন কমিশনের পরীক্ষায় নির্বাচিত হওয়া প্রায় ২ হাজার চাকরিরত এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে নিয়োগ বাতিলের পর তাঁরা চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন। এরকমই একজন হলেন সন্দীপ। দু’মাস আগেই তিনি বিয়ে করেছেন। কিন্তু এখন উদ্বেগে দিন কাটছে তাঁর। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সন্দীপ বলেন, “বাড়ি ফিরে আমি স্ত্রীকে জানাই, আমার চাকরি ছিল বলে তুমি আমাকে বিয়ে করেছিলে। এখন তো আর চাকরি নেই। চাইলে বিয়ে ভেঙে দিতে পারো। স্ত্রীয়ের বাবা-মাকেও একথা জানিয়ে দিয়েছি।” অন্যদিকে, করুণ অবস্থা দেওঘরের বাসিন্দা লালন পান্ডেরও। তিনি ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার’। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাঁর পরিবারে বাবা-মা ছাড়াও রয়েছে স্ত্রী ও দুই সন্তান। তিনি বলেন, “নতুন কোনও নিয়োগ পরীক্ষায় বসার বয়স আমার আর নেই। আমার ছোট ছোট সন্তান রয়েছে। তাঁদের পড়াশোনার কী হবে? এটি আমাদের প্রতি চরম অবিচার। সরকার আমাদের গুলি করে মেরে ফেলতে পারত।”

Advertisement

উল্লেখ্য, গত গত কয়েকদিনে ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়াদের আন্দোলনের ঝাঁজ ক্রমশ বাড়ছিল। রবিবার সন্ধ্যায় রাঁচিতে হেমন্ত সোরেন এবং রাহুল গাঁধীর কুশপুতুল দাহ করেছিলেন পড়ুয়ারা। এইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে হেমন্তের ইস্তফার দাবি তোলা হয়। পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে হেমন্তকে চিঠি লেখেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। ক্রমাগত চাপের মুখে অবশেষে সোমবার রাতে পড়ুয়াদের দাবি মেনেছে সরকার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.