হেমন্ত মৈথিল, লখনউ: সবুজ হয়ে উঠুক উত্তরপ্রদেশের শহরগুলি। এই লক্ষ্যেই এবার নয়া পদক্ষেপ করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সম্প্রতি যোগীর নেতৃত্বে রাজ্যের মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে ‘আরবান গ্রিন পলিসি’। এতে শহরাঞ্চলের সবুজায়নের সম্ভাবনা অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
কী এই ‘আরবান গ্রিন পলিসি’? এই নীতির মূল লক্ষ্য হল উত্তরপ্রদেশের শহরগুলিকে আরও ইকো-ফ্রেন্ডলি করে তোলা। এর আওতায় একটি ‘গ্রিন সিটি মনিটরিং সিস্টেম’ তৈরি করা হবে। যা শহরগুলির পরিবেশগত মান ও সবুজ পরিকাঠামোর ভিত্তিতে ‘গ্রিন স্টার’ রেটিং চালু করা হবে। এই রেটিং সিস্টেম ‘গ্রিন সিটি’ থেকে ‘গ্রিন +++’ পর্যন্ত করা হয়েছে। সেরা শহরকে ‘আলটিমেট গ্রিন সিটি’ খেতাব দেওয়া হবে।
তিনটি স্তরে এই কাজ করা হবে। শহরগুলিতে মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে অল্প জায়গার মধ্যে ঘন প্রাকৃতিক বনাঞ্চল তৈরি করা হবে। এছাড়া ‘স্পঞ্জ’ পার্ক তৈরির মাধ্যমে শহুরে সবুজ স্থানে জল শোষণ এবং জল ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি পকেট পার্ক ও কমিউনিটি গার্ডেন বিকাশের উপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমাতে এই নীতিতে ভার্টিক্যাল গার্ডেনস, ছাদ বাগান প্রভৃতির প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। AMRUT 2.0, ন্যাশনাল ক্লিন এয়ার প্রোগ্রাম এবং বিভিন্ন সরকারি অনুদানের মাধ্যমে এই প্রকল্পের অর্থায়ন করা হবে। জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে বৃক্ষরোপণ অভিযান, সবুজ মেলা এবং বিভিন্ন কর্মশালার আয়োজন করা হবে।
২০২৫-২০২৭ সালের মধ্যে স্মার্ট শহর এবং মেট্রো এলাকাগুলিতে প্রাথমিক পর্যায়ে কাজ শুরু হবে। এরপর ২০৩০ সালের মধ্যে এক লাখের বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত শহরগুলি ও পরে রাজ্যের সমস্ত পুরসভাকে এই নীতির আওতায় আনা হবে। এই নীতি পরিবেশের পাশাপাশি সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
এবার তৃণমূলে ভবনেও পচা ডিমের আশঙ্কা? কাউন্সিলরদের বৈঠক বাতিল মমতার
-
ফের রক্তাক্ত নানুর! দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে চলল গুলি, মৃত ১, গ্রামে মোতায়েন পুলিশ
-
‘ভয়ংকর রকম কমে গিয়েছে’, ভারতের জন্মহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ মাস্কের
-
সিএবিতে ‘দাদাগিরি’, প্রভাব খাটিয়ে জেলা কোচিং কমিটির চেয়ারম্যান! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
-
এবার গরমের ছুটি! বর্ষার আগেই ঝেঁপে বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গে, কলকাতায় কালবৈশাখীর সতর্কতা