হেমন্ত মৈথিল, লখনউ: মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ সরকার ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত উত্তরপ্রদেশ -সমর্থ উত্তরপ্রদেশ’-এর স্বপ্ন পূরণের জন্য গঠনমূলক কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে। সামগ্রিক বিকাশ, অর্থনৈতিক নেতৃত্ব, এবং সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণকে ভিত্তি করে এই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।
২০৩০ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ৬ ট্রিলিয়ন অর্থনীতিতে পৌঁছনোই উত্তরপ্রদেশের লক্ষ। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বায়োটেক, গ্রিন এনার্জি এবং অ্যাগ্রিটেকের মতো ভবিষ্যৎমুখী শিল্পগুলোর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। এছাড়াও কৃষি, আইটি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিল্প, এবং পর্যটনসহ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরের জন্য আলাদা করে রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে।
২০১৭ সালে যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় আসার পর উত্তরপ্রদেশে ব্যাপক উন্নয়ন দেখা যায়। রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরতে থাকে। ২০২৩ সালের ইউপি গ্লোবাল ইনভেস্টরস সামিটে ৪৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের প্রস্তাব পাওয়া গিয়েছিল।
রাজ্য সরকার এখন নোয়েডা ও লখনউয়ের মতো শহরগুলোকে বিশ্বমানের কোম্পানিগুলোর জন্য গ্লোবাল ক্যাপাবিলিটি সেন্টার (GCC) হাব হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগী। যোগীর সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, GCC এবং আইটি হাবগুলো ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি করবে। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য স্মার্ট সিটি এবং সাপ্লাই চেইন উন্নয়নের ফলে বহু চাকরির সুযোগ মিলবে বেকার যুবক যুবতীদের। গ্রামে অ্যাগ্রিটেক এবং কোল্ড চেইন প্রকল্পগুলো স্থানীয় কর্মসংস্থান বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার
-
মুহূর্তে ‘জলরাক্ষস’ গ্রাস করল স্ত্রী-পুত্রকে! নেপালের ব্যবসায়ীর দু’চোখে এখনও আতঙ্ক ও বিষাদ
-
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
-
মহারাষ্ট্র পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ‘ফাঁস’! ব্যর্থ প্রেমকাহিনিতেই প্রকাশ্যে কেলেঙ্কারি