‘সরি মাম্মি, এভাবে চলে যাচ্ছি।’ কাঁদতে কাঁদতে এই কথা বলতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। ভিডিওয় এমন বার্তা রেকর্ড করার পরই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন দেরাদুনের (Dehradun) এক গৃহবধূ। তদন্তকারীদের দাবি, প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, আত্মহত্যাই করেছেন তিনি। অভিযুক্ত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
গত বছরের নভেম্বরে পেশায় স্কুলশিক্ষিকা সৃষ্টি কাণ্ডারির সঙ্গে বিয়ে হয় সৌরভ রাতুরির। তিনিও সরকারি কর্মী। দেরাদুন থেকে মাত্র ২০ কিমি দূরে দইওয়ালা অঞ্চলে তাঁরা থাকতেন। সৃষ্টির মায়ের অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে বিয়ের মাসদুয়েক পর থেকেই অকথ্য শারীরিকও মানসিক অত্যাচারের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছিল। নিয়মিত যেমন পণের জন্য চাপ দেওয়া হত, তেমনই নাকি পরিবারে খারাপ কিছু ঘটলেই ‘অপয়া’ বলে কটাক্ষও করা হত সৃষ্টিকে।
আরও পড়ুন:
তদন্তকারীদের দাবি, প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, আত্মহত্যাই করেছেন তিনি। অভিযুক্ত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
৯০ সেকেন্ডের ভিডিওয় কাঁদতে কাঁদতে সৃষ্টিকে বলতে দেখা গিয়েছে, ”সরি মাম্মি, এভাবে চলে যাচ্ছি। সব কিছুই বড় অদ্ভুত হয়ে গিয়েছে। ৬ মাস ধরে আমি সহ্য করে চলেছি। কিন্তু আর সইতে পারছি না। ওদের মনোভাব কখনওই বদলানোর নয়। আমাদের বিয়ের পরে হওয়া খারাপ সব কিছুর জন্যই আমাকে দায়ী করা হয়। ‘অপয়া অপয়া’ বলতেই থাকে।” মনে করা হচ্ছে, এরপরই দড়িতে ফাঁস দিয়ে ঝুলে পড়েন সৃষ্টি। তাঁর মা ইতিমধ্যেই অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখানে সৃষ্টির স্বামী সৌরভ ছাড়াও শাশুড়ি প্রবীণা ও ননদ চারুর নামও রয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। রিপোর্ট হাতে পেলে আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানা যাবে বলে দাবি পুলিশের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মুজাহিদিনের খপ্পরে! আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বন্দি কেরলের তরুণী, সাহায্যের আর্তি
-
নতুন করে গজিয়েছে দাঁত, ৯৫ বছরের ‘দাদু’র অন্নপ্রাশন আলিপুরদুয়ারে! কী কী হল উদযাপনে
-
কম্বলের নিচে খুনসুটির মাঝেই রাজবীরকে লাথি নন্দিনীর, সৃজলার সঙ্গেও তুমুল ঝগড়া
-
কেন্দ্রের কাছে অবশেষে নতিস্বীকার! আপত্তিকর কনটেন্টে প্রশাসনিক ‘নজরদারি’তে সায় মেটার
-
বৃষ্টি কমতেই ভ্যাপসা গরম! বিশ্বকর্মা পুজোর আগে জেনে নিন বঙ্গের আবহাওয়া আপডেট