লাগাতার কেঁদে চলেছে মেয়ে। কান্নায় অতিষ্ঠ মা। তাতেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাস ছয়ের শিশুকন্যার গলা কেটে খুন করল মা! পরে নিজেরও গলা কাটার চেষ্টা করে অভিযুক্ত গৃহবধূ। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিহারের গোপালপুরের ঘটনা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মায়ের নাম পুজা কুমারী। তিনি পশ্চিম চম্পারণ জেলার গোপালপুর থানা এলাকার বাসিন্দা। স্বামী সুনীল দাস চণ্ডীগরে পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজ করেন। মাস ছয়েক আগে পুজা কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। শ্বশুরবাড়িতে থাকছিলেন পুজা।
বৃহস্পতিবার রাতে নাতির চিৎকার শুনে ঘরে যান ঠাকুমা সীমা দেবী। সেই সময় তিনি দেখেন রক্তে ভেসে যাচ্ছে মেঝে। পরে রয়েছে নাতির দেহ। তার পাশেই পুজা সেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজের গলা কাটতে যাচ্ছে। তাঁকে বাধা দেন সীমাদেবী। খবর দেন প্রতিবেশীদের। উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে পুজার গলায় সেলাই পড়েছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় গোপালপুর থানার আধিকারিক অঙ্কিত কুমার। শিশুকন্যার দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় ময়নাতদন্তে। উদ্ধার করা হয় খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রটি। শুক্রবার সকালে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। থানার আধিকারিক অঙ্কিত কুমার জানিয়েছেন, “প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, মহিলার মানসিক রোগ রয়েছে। তবে শারিরীক পরীক্ষা পরই বিষয়টি বোঝা যাবে। তদন্ত চলছে। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি।”
সর্বশেষ খবর
-
‘আসন পুনর্বিন্যাস হতে দেব না’, তামিলনাড়ু বিধানসভায় প্রস্তাব পেশ বিজয় সরকারের
-
গ্রেপ্তারির ২ মাসেই সব মামলায় জামিন স্বরূপ বিশ্বাসের, জেলমুক্তি কবে?
-
জিতুর বন্ধু সেজে টাকার দাবি, অশালীন প্রস্তাব! সতর্ক করে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পর্দার সত্যজিতের
-
নতুন বউয়ের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেছেন প্রাক্তন স্বামী! দেখেই ‘রহস্যময়’ বার্তা উর্মিলার
-
এসিএল টু-র যুদ্ধে আল-আরবির বিরুদ্ধে ভরসা রশিদ-র্যামিরেজ, কেমন হবে ইস্টবেঙ্গলের প্রথম একাদশ?