সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের নাগরিক এক মহিলা পরিচয় গোপন করে উত্তরপ্রদেশের রামপুরের একটি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা করছিলেন। যোগীরাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের অন্তর্তদন্তে বিষয়টি সামনে এসেছে। ওই মহিলা কি পাকিস্তানি গুপ্তচর? এখনও স্পষ্ট না হলেও পাক মহিলার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত মহিলার নাম মাহিরা আখতার ওরফে ফরজানা। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভুয়ো পরিচয় দিয়ে উত্তরপ্রদেশের রামপুরের কুমারিয়া গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের অন্তর্তদন্তে বিষয়টি সামনে আসতেই শোরগোল শুরু হয়। এরপর আসরে নামে পুলিশ। ইতিমধ্যে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের নাগরিক মাহিরা ভুয়ো নথি ব্যবহার করে গত ৪০ বছর ধরে ভারতে থাকছেন! প্রশ্ন হল, পাক নাগরিক হয়েও কীভাবে চার দশক ধরে ভারতে থাকছিলেন অভিযুক্ত?
পুলিশ জানিয়েছে, মাহিরা জন্মসূত্রে ভারতীয় হলেও ১৯৭৯ সালে একজন পাক নাগরিককে বিয়ে করেন। এরপর তিনি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেন। বিয়ের কিছুদিন পরে বনিবনা না হওয়ায় বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাঁর। ১৯৮৫ সালে পাক পাসপোর্টে ভারতে আসেন মাহিরা। রামপুরের স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। অভিযোগ, ভুয়ো নথি বানিয়ে এবং নিজেকে ভারতীয় হিসাবে পরিচয় দিয়ে স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন মহিলা।
মাহিরা পাকিস্তানের নাগরিক, এ কথা রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর জানার পরই তাঁকে প্রথমে সাসপেন্ড এবং পরে বহিষ্কারও করা হয়েছে। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। খুব শিগগির গ্রেপ্তার করা হতে পারে।
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক