Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Uttar Pradesh

ভারতীয় পরিচয়ে উত্তরপ্রদেশের স্কুলে শিক্ষকতা, পাক মহিলাকে ধরল পুলিশ! গুপ্তচর?

পাক নাগরিক হয়েও কীভাবে চার দশক ধরে ভারতে থাকছিলেন অভিযুক্ত?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ২১:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ২১:৫৩

options
link
ভারতীয় পরিচয়ে উত্তরপ্রদেশের স্কুলে শিক্ষকতা, পাক মহিলাকে ধরল পুলিশ! গুপ্তচর? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের নাগরিক এক মহিলা পরিচয় গোপন করে উত্তরপ্রদেশের রামপুরের একটি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা করছিলেন। যোগীরাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের অন্তর্তদন্তে বিষয়টি সামনে এসেছে। ওই মহিলা কি পাকিস্তানি গুপ্তচর? এখনও স্পষ্ট না হলেও পাক মহিলার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

অভিযুক্ত মহিলার নাম মাহিরা আখতার ওরফে ফরজানা। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভুয়ো পরিচয় দিয়ে উত্তরপ্রদেশের রামপুরের কুমারিয়া গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের অন্তর্তদন্তে বিষয়টি সামনে আসতেই শোরগোল শুরু হয়। এরপর আসরে নামে পুলিশ। ইতিমধ্যে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের নাগরিক মাহিরা ভুয়ো নথি ব্যবহার করে গত ৪০ বছর ধরে ভারতে থাকছেন! প্রশ্ন হল, পাক নাগরিক হয়েও কীভাবে চার দশক ধরে ভারতে থাকছিলেন অভিযুক্ত?

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, মাহিরা জন্মসূত্রে ভারতীয় হলেও ১৯৭৯ সালে একজন পাক নাগরিককে বিয়ে করেন। এরপর তিনি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেন। বিয়ের কিছুদিন পরে বনিবনা না হওয়ায় বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাঁর। ১৯৮৫ সালে পাক পাসপোর্টে ভারতে আসেন মাহিরা। রামপুরের স্থানীয় এক ব্যক্তির সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। অভিযোগ, ভুয়ো নথি বানিয়ে এবং নিজেকে ভারতীয় হিসাবে পরিচয় দিয়ে স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন মহিলা।

মাহিরা পাকিস্তানের নাগরিক, এ কথা রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর জানার পরই তাঁকে প্রথমে সাসপেন্ড এবং পরে বহিষ্কারও করা হয়েছে। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। খুব শিগগির গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.