Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

স্বামীর কাছে মেলেনি নেশার টাকা, তিন সন্তানকে বিষ খাইয়ে আত্মঘাতী স্ত্রী!

উত্তরপ্রদেশের ঘটনায় এক শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৫, ১৪:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৫, ১৪:৫৮

options
link
স্বামীর কাছে মেলেনি নেশার টাকা, তিন সন্তানকে বিষ খাইয়ে আত্মঘাতী স্ত্রী! zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নেশার জিনিস কিনবেন বলে স্বামীর কাছে টাকা চেয়েছিলেন। স্বামী দিতে অস্বীকার করেন। আর সেই অভিমানে তিন সন্তানকে বিষ খাইয়ে স্ত্রী নিজেকেও শেষ করে দিলেন বলে অভিযোগ। মৃত্যু হয়েছে দুই সন্তানেরও। একজন হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূটে।তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জানা যাচ্ছে, বছর ছাব্বিশের ওই মহিলার নাম জ্যোতি যাদব।  নেশায় আসক্ত ছিলেন তিনি। জ্যোতির স্বামী বাবু যাদব পেশায় চালক। শনিবার সকালে স্বামীর কাছ থেকে নেশার জিনিস কেনার জন্য টাকা চান জ্যোতি। বাবু টাকা দিতে আপত্তি জানালে স্ত্রীর সঙ্গে প্রবল কথা কাটাকাটি হয়। অভিযোগ, এরপরই বিষপান করেন জ্যোতি। তিন সন্তানকেও বিষ খাইয়ে দেন। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে বাবু দেখেন, তাঁর স্ত্রী ও চার বছরের সন্তান গুরুতর অসুস্থ। যন্ত্রণায় ছটফট করছে। অন্য দুই সন্তানকে পরীক্ষা করে বাবু বুঝতে পারেন, কেউই আর বেঁচে নেই।

Advertisement

কাছাকাছি চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা বাবু-জ্যোতির এক সন্তান বুলবুলকে মৃত বলে ঘোষণা করে। বাকিদের সাতনা জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে জ্যোতি ও তাঁর মেয়ে চন্দ্রমার মৃত্যু হয়েছে। চার বছরের ছেলে দীপচাঁদের চিকিৎসা চলছে। তবে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, নেশা করা নিয়ে প্রায়শই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ হতো। বাবু পরিবার ও সন্তানদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বারবার জ্যোতিকে এসব খেতে নিষেধ করতেন। 

পুলিশ ও চিকিৎসকরা জানিয়েছে, বিষপানের কারণেই জ্যোতি ও তাঁর দুই সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার রূপেশ সোনি জানিয়েছেন, অসুস্থদের হাসপাতালে আনার সময়ই বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা গিয়েছিল। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ার কারণেই তৎক্ষণাৎ জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.