Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Cockroach Janata Party

নিট আন্দোলনে সাফল্যের পর কি রাজনীতিতে? বড়সড় ইঙ্গিত দিলেন ‘ককরোচ’ নেতারা

সৌরভ দাস বলছেন, "দেশে ৭৫০-৮০০ মূল ধারার রাজনৈতিক দল রয়েছে। কেউই যুবসমাজের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১২:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১২:৩৮

options
link
নিট আন্দোলনে সাফল্যের পর কি রাজনীতিতে? বড়সড় ইঙ্গিত দিলেন ‘ককরোচ’ নেতারা zoom
সৌরভ দাস ও অভিজিৎ রাঙ্কা। ফাইল ছবি।
Advertisement

উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারের জন্য আর্থিক সাহায্য আদায়। সেই উদ্দেশ্য সাধিত হয়েছে। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার পড়ুয়াদের আন্দোলনকে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁদের সব দাবি মেনে নিয়েছে। কিন্তু এবার কি? আগামী দিনে কি সক্রিয় রাজনীতিতে আসবেন অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা? এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বড়সড় ইঙ্গিত দিয়েছেন ‘ককরোচ’ (Cockroach Janata Party) নেতারা।

সৌরভ দাস অবশ্য সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে এখনই কোনও ইঙ্গিত দেননি। তিনি বলছেন, “আপাতত যুব সমাজের এই আন্দোলনকে তৃণমূল স্তরে নিয়ে যেতে হবে। এদেশে ৭৫০-৮০০ মূল ধারার রাজনৈতিক দল রয়েছে। কেউই যুবসমাজের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি।”

আন্দোলনের সাফল্যের পর ভবিষ্যৎ কোন পথে? এ প্রশ্নের জবাব সিজেপির অন্য্যতম মুখ আশুতোষের বক্তব্য,”আপাতত একটা জিনিসই আমার মাথায় কাজ করছে, বাড়ি গিয়ে ঘুমোতে হবে। আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হবে। দু’মাস বাড়ির বাইরে। একটু বিশ্রাম চাই। আমার মনে হয়, যেটা ঘটেছে সেটা আমাদের জন্য সত্যিই গর্বের। সত্যিই খুশি হওয়ার মতো মুহূর্ত।” কিন্তু এরপর কি সরাসরি রাজনীতিতে? সে সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি আশুতোষ রাঙ্কা। তিনি বলছেন, “আজকের ভারতে কোনও সম্ভাবনাই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অন্তত আমার সেটাই মনে হয়।”

Advertisement

সৌরভ দাস অবশ্য সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে এখনই কোনও ইঙ্গিত দেননি। তিনি বলছেন, “আপাতত যুব সমাজের এই আন্দোলনকে তৃণমূল স্তরে নিয়ে যেতে হবে। এদেশে ৭৫০-৮০০ মূল ধারার রাজনৈতিক দল রয়েছে। কেউই যুবসমাজের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি। আমরা চাই আমাদের এই আন্দোলন তৃণমূল স্তরে নিয়ে যেতে। যাতে যে রাজনৈতিক দলই আগামী দিনে ক্ষমতায় থাক, তাঁরা যেন যুবসমাজের চাহিদা পূরণে পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয়। আপাতত আমাদের এটুকুই চাওয়া।”

ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠার পরই অভিজিৎ দীপকে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, সরাসরি ভোট রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁর নেই। তবে আন্দোলনের সাফল্যের পর সেই মত বদলাতেও পারে। অবশ্য আরও একটি সম্ভাবনা রয়েছে। সরাসরি দল হিসাবে ককরোচ জনতা পার্টি রাজনীতিতে যোগ না দিলেও ‘ককরোচ’ নেতারা নিজেদের মতো করে রাজনীতির ময়দানে নামতেই পারেন। এদের মধ্যেই অনেকে ইতিমধ্যেই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.