Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Raghav Chadha

দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য নিয়ে বিজেপিতে যোগ, তবু সাংসদ পদ খোয়াতে পারেন রাঘব? কী বলছে আইন?

রাঘবদের বিরুদ্ধে সাংসদ পদ বাতিলের আবেদন করছে আপ। কী যুক্তি কেজরিওয়ালদের?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১৩:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১৩:১০

options
link
দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য নিয়ে বিজেপিতে যোগ, তবু সাংসদ পদ খোয়াতে পারেন রাঘব? কী বলছে আইন? zoom
সংসদে রাঘব চাড্ডা। ফাইল ছবি।

যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন রাঘব চাড্ডা। আম আদমি পার্টির আরও ছয় নেতা পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েছেন। রাঘব জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে স্বাতী মালিওয়াল, হরভজন সিং, অশোক মিত্তল, সন্দীপ পাঠক, রাজিন্দর গুপ্তা, বিক্রম সাহানিও গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন। যার অর্থ আপের মোট ১০ জন রাজ্যসভার সাংসদের মধ্যে সাতজনই বিজেপিতে। ফলে দলত্যাগ বিরোধী আইনে পড়ে সাংসদ পদ খোয়ানোর কথা নয় তাঁদের।

কিন্তু আম আদমি পার্টির দাবি, রাজ্যসভার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য বিজেপিতে যোগ দিলেও তাদের প্রত্যেকের সাংসদ পদ বাতিল হবে। কারণ দলত্যাগ বিরোধী আইন গোটা দল মিশে না গেলেই কার্যকর হয়। দলের সদস্যদের যোগদানের সংখ্যাটা সেক্ষেত্রে বিবেচ্য নয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, সদ্য একনাথ শিণ্ডে সদ্য উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা ছেড়ে বিজেপির সঙ্গে জোট করেন। সেসময় তাঁর সঙ্গে মহারাষ্ট্র বিধানসভার সিংহভাগ বিধায়ক যোগ দেন। ফলে স্পিকার একনাথ শিণ্ডের দলকেই আসল শিব সেনা হিসাবে চিহ্নিত করেন। একইভাবে অজিত পওয়ারের দলও এনসিপির আসল প্রতীক পায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু আপের ক্ষেত্রে বিষয়টা অন্যরকম। আপ আঞ্চলিক দল নয়। জাতীয় দল। আপকে বিজেপির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে বা আপের আসল প্রতীক এবং নাম দাবি করতে হলে দলের সব স্তরের জনপ্রতিনিধিদের দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। যা এই মুহূর্তে রাঘবের হাতে নেই। সূত্রের খবর, সেই অঙ্কটাকেই কাজে লাগাতে চাইছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রাঘবদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে আবেদন করতে চলেছেন তাঁরা। রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে ওই আবেদন করা হবে। ফলে যা পরিস্থিতি তাতে রাঘবের সাংসদ পদ বাতিল হতেই পারে। পদ খোয়াতে পারেন বাকি ৬ সাংসদও।

তবে সবটাই নির্ভর করবে রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের উপর। তিনি যদি রাঘবদের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাঁদের সাংসদ পদ বেঁচে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে যুক্তি হল, বিজেপি অফিসে গিয়ে দলের সর্বভারতীয় সভাপতির হাতে মিষ্টি খেলেও গেরুয়া পতাকা তাঁর হাতে দেখা যায়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.