Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬
Odisha

মেলেনি শববাহী গাড়ি, স্ত্রীর দেহ বাইকে বেঁধে শ্মশানের পথে স্বামী, অমানবিক ছবি ওড়িশায়

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ওড়িশার গ্রামীণ এলাকায় সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ২০:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ২০:৫১

options
link
মেলেনি শববাহী গাড়ি, স্ত্রীর দেহ বাইকে বেঁধে শ্মশানের পথে স্বামী, অমানবিক ছবি ওড়িশায় zoom

খুব বেশি কিছু নয়, চাহিদা ছিল নিতান্ত সামান্য। সদ্য মৃত স্ত্রীর দেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য একটা শববাহী গাড়ির আবেদন জানিয়েছিলেন স্বামী। ওইটুকু সরকারি পরিষেবা পাওয়ার জন্য দরজার দরজায় ঘুরেছিলেন। কিন্তু সেই সবই সার! আর বেসরকারি গাড়ি? সে তো বিপুল টাকা। দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারে সে টাকা জুটবে কোথা থেকে। কিন্তু স্ত্রীর দেহ তো হাসপাতালে ফেলে রেখে যেতে পারেন না। শুধু স্বামী নয়, গোটা পরিবারের লোকজন হন্য হয়ে খুঁজেছে একখানা সরকারি গাড়ি। শেষ পর্যন্ত স্ত্রীর নিথর দেহ তোলা হল স্বামীর মোটরসাইকেলের পিছনে। এমনই অমানিক ছবি ধরা পড়ল ওড়িশার (Odisha) ঝাড়সুগদা জেলায়।

ঝাড়সুগদা জেলার লাইকেরা ব্লকের বাসিন্দা ওই ব্যক্তির নাম নরেশ ছত্রিয়া। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তাঁর স্ত্রী যমুনা ছত্রিয়া। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপরেই রাতারাতি চিকিৎসার জন্য মুদরাজোর কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় যমুনাদেবীকে। কিন্তু ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছানোর পরেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর নরেশ ছত্রিয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়। স্ত্রীর মৃতদেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে শববাহী গাড়ির অনুরোধ জানান তাঁরা। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও হাসপাতাল বা স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁদের কোনও রকম সাহায্য করা হয়নি। এমনকী কোনও গাড়ির ব্যবস্থাও করা হয়নি বলেও অভিযোগ। কিন্তু ওড়িশায় সরকারি শববাহী গাড়ি বিনামূল্যে পাওয়া যায়। সেই পরিষেবাই পেতে চেয়েছিলেন নরেশ। কারণ বেসরকারি গাড়ি ভাড়া করার মতো আর্থিক সামর্থ্য ছিল না তাঁর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পরেও প্রশাসনের কোনও সাহায্য নরেশ পাননি বলেই অভিযোগ। এরপর একপ্রকার বাধ্য হয়ে মোটরসাইকেলের পিছনে স্ত্রীর মৃতদেহ কোনওমতে বেঁধে নিজের গ্রামের দিকে রওনা হন নরেশ। এইভাবে মোটরসাইকেলে করে স্ত্রীর দেহ নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য সমাজ মাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল। এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ওড়িশার গ্রামীণ এলাকায় সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.