Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
PM Narendra Modi

খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ইরান যাচ্ছেন না মোদি, নেপথ্যে কোন কূটনীতির ‘খেলা’?

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান এবং আমেরিকার যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় খামেনেইয়ের। কিন্তু যুদ্ধপরিস্থিতির কারণে তাঁকে সমাহিত করা যাচ্ছিল না। অবশেষে আগামী ৪ জুলাই খামেনেইয়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ধর্মীয় প্রক্রিয়া শুরু হবে। ৯ জুলাই ইরানের মাশহাদ শহরে তাঁকে সমাহিত করা হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ০০:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ০০:২৫

options
link
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ইরান যাচ্ছেন না মোদি, নেপথ্যে কোন কূটনীতির ‘খেলা’? zoom
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ইরান যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী।
Advertisement

ইরানের নিহত প্রাক্তন সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল তেহরান। কিন্তু ইরান যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। পরিবর্তে ইরানে দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে ভারত। সেখানে থাকবেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মারঘেরিতা এবং বিহারের রাজ্যপাল লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) সৈয়দ আতা হাসনাইন। কিন্তু কেন ইরান যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী? এর নেপথ্যে রয়েছে বহুমুখী কূটনীতির এক ‘খেলা’।

প্রথমত, ইরান-আমেরিকার মধ্যে নতুন করে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে মোদির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে। বলে রাখা ভালো, ২০২৪ সালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন গড়করি। একই মঞ্চে দেখা গিয়েছিল সশস্ত্র প্যালেস্টাইনি সংগঠন হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে। ঘটনাচক্রে, ওই অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা পরই তেহরানের এক হোটেলে খুন হন তিনি। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা ‘মোসাদ’-এর হাত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অশান্ত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ইরান সফর একেবারেই নিরাপদ নয়।

Advertisement

দ্বিতীয়ত, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রয়েছে ভারতের। অন্যদিকে, এই দুই দেশ আবার ইরানের ‘শত্রু’। এই পরিস্থিতিতে ভারতের প্রধান হিসাবে মোদি যদি তেহরান যান, তাহলে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্কের অবনতি হতে পারে। এদিকে ইরানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আবার বন্ধুত্বপূর্ণ। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, কূটনীতির দাঁড়িপাল্লায় ভারসাম্য বজায় রাখতেই প্রধানমন্ত্রী সরাসরি তেহরানে না গিয়ে প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছেন।

তৃতীয়ত, ভারতের জন্য শুধু ইরান নয়, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কাতারের মতো উপসাগরীয় দেশগুলির সঙ্গে সমীকরণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত এই দেশগুলি থেকে অনেকাংশে জ্বালানি আমদানি করে। শুধু তাই নয়, সেখানে অনেক ভারতীয়ও কর্মরত। কিন্তু ইরানের সঙ্গে এই দেশগুলির সম্পর্ক আবার মধুর নয়। তাই এই পরিস্থিতিতে মোদি সরাসরি তেহরান যাত্রা করলে উপসাগরীয় দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়তে পারে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান এবং আমেরিকার যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় খামেনেইয়ের। কিন্তু যুদ্ধপরিস্থিতির কারণে তাঁকে সমাহিত করা যাচ্ছিল না। অবশেষে আগামী ৪ জুলাই খামেনেইয়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ধর্মীয় প্রক্রিয়া শুরু হবে। ৯ জুলাই ইরানের মাশহাদ শহরে তাঁকে সমাহিত করা হবে। সেখানেই জন্মেছিলেন খামেনেই। ১০০ দিনেরও বেশি সময় পর সমাহিত করা হচ্ছে ইরানের প্রাক্তন সুপ্রিম লিডারকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.