Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬
Cockroach Janata party

নিরীহ ভারতীয়দের কেন পাকিস্তানি বলছেন? পাক ফলোয়ার বিতর্কে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে তোপ ককরোচ পার্টির

অভিজিৎ দীপকের পালটা দাবি, "ককরোচ জনতা পার্টির ৯৪ শতাংশ ফলোয়ার ভারতীয়ই।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৬, ১২:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৬, ১২:১৭

options
link
নিরীহ ভারতীয়দের কেন পাকিস্তানি বলছেন? পাক ফলোয়ার বিতর্কে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে তোপ ককরোচ পার্টির zoom
কেন্দ্রকে তোপ ককরোচ পার্টির। ফাইল ছবি।

সোশাল মিডিয়ায় আলোড়ন ফেলে দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টির অধিকাংশ ফলোয়ার পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি। বেশ কিছুদিন ধরেই এই তত্ত্ব সোশাল মিডিয়ায় ছড়ানো হচ্ছে। এমনকী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও এক্স হ্যান্ডেলে তেমনটাই দাবি করেছিলেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই তত্ত্ব খারিজ করে দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। তাঁর দাবি, ককরোচ জনতা পার্টির সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে যে ফলোয়ার-সেটার ৯৪ শতাংশই ভারতীয়।

অল্প দিনের মধ্যে গোটা দেশ তথা বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। দিন চারেকের মধ্যে ইনস্টাগ্রামে তাদের সদস্য সংখ্যা ৮ মিলিয়ন ছুঁয়ে বিজেপিকে পেরিয়ে যায়। এরই মাঝে একটি সোশাল মিডিয়া পোস্ট প্রকাশ্যে এসেছে। যাতে দাবি করা হচ্ছে এই সিজেপি-র ৮০ শতাংশ ফলোয়ার পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি। এই তথ্য সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে জেন-জির সলতেয় আগুন জ্বালানো এই ককরোচের নেপথ্যে কি ডিপ স্টেট বা পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই তত্ত্ব উসকে দিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে সিজেপিকে কটাক্ষ করেছিলেন কিরেন রিজিজু। তিনি বলেন, ‘যারা সোশাল মিডিয়ায় পাকিস্তান এবং জর্জ সোরেস গ্যাংয়ের কাছে ফলোয়ার ভিক্ষা করে তাঁদের প্রতি করুণা হয়।’ রিজিজুর সেই পোস্ট শেয়ার করে সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকের পালটা প্রশ্ন, “ককরোচ জনতা পার্টির ৯৪ শতাংশ ফলোয়ার ভারতীয়ই। বুঝতে পারছি না কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ভারতীয়দের পাকিস্তানি বলে দেগে দিচ্ছেন।”

এখানেই শেষ নয়, তিনি এক্স পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, ‘কেন সরকার আরশোলাদের এত ভয় পাচ্ছে! এই একনায়কতন্ত্রী আচরণে ভারতের যুবসমাজের চোখ খুলছে। নিজেদের জন্য একটা উন্নততর ভবিষ্যত চাইছি, এটাই আমাদের একমাত্র অপরাধ। কিন্তু আপনারা সহজে আমাদের হাত থেকে পরিত্রাণ পাবেন না। আমরা নতুন ভিত গড়ছি। আরশোলারা কখনও মরে না।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.