Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Asaduddin Owaisi

‘কে হত্যা করল ৬ জনকে?’ মালেগাঁও বিস্ফোরণে অভিযুক্তদের বেকসুর খালাসে প্রশ্ন ওয়েইসির

২০০৮ সালে মালেগাঁওয়ে বোমা বিস্ফোরণ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৫, ১৪:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৫, ১৪:৩১

options
link
‘কে হত্যা করল ৬ জনকে?’ মালেগাঁও বিস্ফোরণে অভিযুক্তদের বেকসুর খালাসে প্রশ্ন ওয়েইসির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০০৮-এর মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডে প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ প্রজ্ঞা ঠাকুর-সহ ৭ অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করেছে এনআইএ বিশেষ আদালত। এই রায় ঘোষণায় এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসির প্রশ্ন, “৬ জন মানুষকে তাহলে হত্যা করল কে?”

মালেগাঁও বিস্ফোরণের ১৭ বছর পর বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করে এনআইএ বিশেষ আদালত। ‘প্রমাণের অভাবে’ সাত অভিযুক্ত প্রজ্ঞা ঠাকুর, কর্নেল প্রসাদ, মেজর রমেশ উপধ্যায়, সুধাকর চতুর্বেদী, অজয় রাহিরকর, সুধাকর ধার দ্বিবেদী ওরফে আলিয়াস শংকরাচার্য এবং সমীর কুলকার্নিকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করেন বিচারক। এই বিষয়ে ওয়েইসি বলেন, “মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলার রায় হতাশাজনক। ৬ নামাজির মৃত্যু হয়েছিল বিস্ফোরণে, ১০০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছিলেন। নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষ বলেই তাঁদের টার্গেট করা হয়েছিল। ইচ্ছাকৃতভাবে নিম্নমানের তদন্ত এবং সরকারি কৌশলীই এই খালাসের জন্য দায়ী।”

Advertisement

এআইএমআইএম প্রধান কেন্দ্রে ও রাজ্যের গেরুয়া প্রশাসনকে কটাক্ষ করে বলেন, “বিস্ফোরণের ১৭ বছর পর প্রমাণের অভাবে আদালত সব অভিযুক্তকে খালাস করে দিল। মুম্বই ট্রেন বিস্ফোরণের মামলায় আসামিদের খালাসের পরেই যেভাবে রায়ে স্থগিতাদেশ চেয়েছিল মোদি ও ফড়ণবিস সরকার, এই রায়ের রায়ের বিরুদ্ধেও কি তেমন আপিল করা হবে? মহারাষ্ট্রের ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ রাজনৈতিক দলগুলি কি জবাব চাইবে, ৬ জন মানুষকে কে হত্যা করল?”

২০০৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার মালেগাঁও শহরে ভয়ংকর বিস্ফোরণে হয়। ৬ জনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছিলেন একশোর বেশি। তদন্তে উঠে আসে, মালেগাঁও শহরে মসজিদ লাগোয়া কবরস্থানে একটি মোটরবাইক দু’টি বোমা রাখা ছিল। তাতেই বিস্ফোরণ ঘটে। মহারাষ্ট্রের সন্ত্রাসদমন শাখার (এটিএস) প্রাথমিকভাবে জানায়, বিস্ফোরণের নেপথ্যে একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। যে মোটরবাইকে বোমা রাখা ছিল সেটা প্রজ্ঞা ঠাকুরের নামে নথিভুক্ত ছিল। নির্দিষ্ট একটি ধর্মের মানুষকে নিশানা করতেই বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করেন প্রজ্ঞা। একে একে গ্রেপ্তার হন প্রজ্ঞা ঠাকুর, কর্নেল প্রসাদ-সহ অন্য অভিযুক্তরা। 

প্রাথমিকভাবে গ্রেপ্তার হলেও পরে জামিন পান প্রজ্ঞা এবং কর্নেল। ২০১১ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলা জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র কাছে যায়। এরপর তদন্তের অভিমুখ খানিক বদলে যায়। একাধিক চার্জশিট ও অতিরিক্ত চার্জশিটের পর ২০১৮ সালে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়। বিচার চলার সময়ে আদালত ৩২৩ জন সাক্ষীর বয়ান খতিয়ে দেখা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত উপযুক্ত প্রমাণের অভাবেই অভিযুক্তদের বেকসুর খালাস ঘোষণা করল এনআইএ বিশেষ আদালত। উল্লেখ্য, মালগাঁওয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় ‘হিন্দু সন্ত্রাসবাদ’ নিয়ে কথা ওঠে। যদিও এদিন বিচারক বলেন, “সন্ত্রাসবাদের কোনও ধর্ম হয় না।” 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.