Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Sonam Wangchuk

‘কেউ সাধু নয়’, অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাসদের বিঁধলেন সোনম ওয়াংচুক

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে সোনম বলেন, “ককরোচদের তিন নেতার সঙ্গেই আমি ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করেছি। তাঁরা কেউই আমাকে সরাসরি রাজনীতিতে আসার ইচ্ছার কথা বলেননি। তবে আমার ধারণা তাঁদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তবে এতে দোষের কিছু নেই। কারণ, তাঁরা কেউই সাধু নন, যে তাঁরা নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাবেন।”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৬:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৬:২৮

options
link
‘কেউ সাধু নয়’, অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাসদের বিঁধলেন সোনম ওয়াংচুক zoom
ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বের প্রতি হতাশ সোনম। ফাইল ছবি।
Advertisement

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কারা কেউই সাধু নন। এমনটাই বললেন শিক্ষাবিদ তথা পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তাঁর মতে, ‘আরশোলা’ প্রতিষ্ঠাতাদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। যদিও সোনম স্বীকার করে নিয়েছেন যে, রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকা ভুল কিছু নয়। তবে তিনি জানিয়েছেন, যে কোনও ছাত্র আন্দোলনই অরাজনৈতিক হওয়া উচিত।  

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে সোনম বলেন, “ককরোচদের তিন নেতার সঙ্গেই আমি ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করেছি। তাঁরা কেউই আমাকে সরাসরি রাজনীতিতে আসার ইচ্ছার কথা বলেননি। তবে আমার ধারণা তাঁদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তবে এতে দোষের কিছু নেই। কারণ, তাঁরা কেউই সাধু নন, যে তাঁরা নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাবেন।” সোনম জানান, তিনি মনে করেন, ভারতের রাজনীতিতে আরও বেশি তরুণদের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। যদি সিজেপি প্রতিষ্ঠাতারা শেষ পর্যন্ত সেই পথ বেছে নেন, তাতে কোনও দোষ নেই। তবে নিজের উদ্বেগের কথাও জানিয়েছেন সোনম। বলেন, “ছাত্র আন্দোলন কোনও রাজনৈতিক দল বা কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মাধ্যম হয় না। ছাত্র আন্দোলন অরাজনৈতিক হওয়াই উচিত।” এখানেই শেষ নয়। সোনম দাবি করেছেন, যন্তর মন্তরে পুলিশের পদক্ষেপের পর যখন প্রতিবাদ মঞ্চটি ভেঙে ফেলা হয়, বহু আন্দোলনকারী প্রতিবাদস্থল ত্যাগ করেন, তখন সিজেপি নেতারা মনোবল হারিয়ে ফেলেন। এমনকী সরকারের সঙ্গে আলোচনার আগেই তাঁরা আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। গোটা বিষয়টিতে হতাশা প্রকাশ করেন বাস্তবের ‘র‌্যাঞ্চো’।

Advertisement

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা-সহ পাঁচ দাবিতে ‘ককরোচ’রা যে আন্দোলন শুরু করেছিল, সেই আন্দোলনের একেবারে পুরোভাগে ছিলেন সোনম। শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে টানা ২৬ দিন অনশন করেছিলেন তিনি। অথচ শেষমেশ যখন দাবি পূরণ হল, ধর্মেন্দ্র যখন ইস্তফা দিলেন, তখন সেই সোনমকে ন্যূনতম ধন্যবাদ পর্যন্ত জানাননি ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ। গোটা আন্দোলনের কৃতিত্ব মোটামুটিভাবে নিজেদেরকেই দেন তিনি। এরপরই সোনমের সঙ্গে ‘ককরোচ’দের দূরত্ব বৃদ্ধির তত্ত্বটি প্রকট হয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.