Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Operation Sindoor

‘পাকিস্তানে ঢুকে মরণকামড় বসাতে প্রস্তুত ছিল সেনা’, ‘সিঁদুর’ হুংকারে ৭১’ মনে করালেন সেনাপ্রধান

ইসলামাবাদকে সতর্ক করে তিনি জানান, অপারেশন সিঁদুর এখনও জারি রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনও ভারতের দিকে কুদৃষ্টি দিলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১৭:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১৭:৫১

options
link
‘পাকিস্তানে ঢুকে মরণকামড় বসাতে প্রস্তুত ছিল সেনা’, ‘সিঁদুর’ হুংকারে ৭১’ মনে করালেন সেনাপ্রধান zoom
Advertisement

অপারেশন সিঁদুরে (Operation Sindoor) ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানে ঢুকে মরণকামড় বসাতেও প্রস্তুত ছিল। মঙ্গলবার হুংকার দিকে এমনটাই বললেন সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। মনে করালেন ১৯৭১-এর যুদ্ধের কথা। একইসঙ্গে ইসলামাবাদকে সতর্ক করে তিনি জানান, অপারেশন সিঁদুর এখনও জারি রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনও ভারতের দিকে কুদৃষ্টি দিলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে।   

নতুন বছরে প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন সেনাপ্রধান। সেখানে তিনি বলেন, “গত বছর অপারেশন সিঁদুর অভিযানে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। যদি পাকিস্তান কোনও রকম ভুল পদক্ষেপ করত, তাহলে আমাদের সেনাবাহিনী পাকিস্তানে ঢুকে মরণকামড় বসাতে প্রস্তুত ছিল।” একইসঙ্গে ভারতীয় সেনার তিন বাহিনীর (জল, স্থল এবং নৌসেনা) প্রশংসা করে সেনাপ্রধান বলেন, “এই অভিযানে ছিল তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়ের সেরা উদাহরণ। তিন বাহিনীকেই সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ করার।” সেনাপ্রধান  উপেন্দ্র দ্বিবেদী আরও বলেন, “অপারেশন সিঁদুরে যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, তা কোনও রকম ত্রুটি বাস্তবায়িত করা হয়েছিল। এই অভিযানটি ৭ মে শুরু হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ছিল মাত্র ২২ মিনিটের। তবে তা ১০ মে পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। মোট ৮৮ ঘণ্টা।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন চালায় ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে যায় পাকিস্তানের অন্তত ১১টি একধিক বায়ু সেনাঘাঁটি। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের আর্জিতে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় নয়াদিল্লি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.