Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Wayanad Landslide

ওয়ানড় ভূমিধসে মৃত বেড়ে ৭, উদ্ধার হওয়া দেহ বাংলার শ্রমিকের? খোঁজ চলছে আরও এক কর্মীর

দুর্ঘটনার পর থেকে খোঁজ নেই আরও এক কর্মীর। আশঙ্কা করা হচ্ছে ধ্বংসস্তূপের নিজে চাপা পড়েছেন তিনি। তাঁর খোঁজে জোরকদমে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১৪:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ১৪:৫৭

options
link
ওয়ানড় ভূমিধসে মৃত বেড়ে ৭, উদ্ধার হওয়া দেহ বাংলার শ্রমিকের? খোঁজ চলছে আরও এক কর্মীর zoom
ধ্বংসস্তূপের থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দেহ।
Advertisement

ভূমিধসে বিধ্বস্ত ওয়ানড়ের (Wayanad Landslide) কাল্লাডি এলাকায় শুক্রবার উদ্ধার হল আরও এক মৃতদেহ। এই নিয়ে ভয়ংকর ভূমিধসের জেরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ জন। পাশাপাশি দুর্ঘটনার পর থেকে খোঁজ নেই আরও এক কর্মীর। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিজে চাপা পড়েছেন তিনি। তাঁর খোঁজে জোরকদমে শুরু হয়েছে তল্লাশি। এখন যে দেহ উদ্ধার হয়েছে তা বাংলার শ্রমিকের নাকি হিমাচলের তা স্পষ্ট নয়।

গত ৭ জুলাই ভয়ংকর এই দুর্ঘটনা ঘটেছিল কাল্লাডির মীনাক্ষী সেতুর কাছে। এখানে মালাপ্পুরম ও ওয়ানড় জেলাকে সংযুক্ত করতে একটি টানেল নির্মাণের কাজ চলছিল। কাজের সুবিধার জন্য ওই টানেলের মধ্যেই থাকছিলেন শ্রমিকরা। কেরলের রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগের তরফের দাবি অনুযায়ী, দুর্ঘটনার জেরে ২ জনের মৃত্যু হয়, আহত হন আরও ১০ জন। পরে আরও ৪ জনের দেহ উদ্ধার হয় ধ্বংসস্তূপ থেকে। কিন্তু খোঁজ মিলছিল না দুই জনের। এরা ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাকেশ গুছাইত এবং হিমাচল প্রদেশের বিক্রম রানা। তাঁদের খোঁজে চলছিল তল্লাশি। এরইমাঝে শুক্রবার পার্শ্ববর্তী এক নদী থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি মৃতদেহ। তবে সেই দেহ রাকেশের নাকি বিক্রমের, তা এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

Advertisement

এদিকে ভূমিধসের চতুর্থ দিনে, শুক্রবার ভোরে তল্লাশি অভিযান পুনরায় শুরু হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও পুলিশ বাহিনী দলগুলো কাদা ও ধ্বংসাবশেষ সরানোর জন্য ভারী যন্ত্রপাতি মোতায়েন করেছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন নিখোঁজ দুই শ্রমিকের দেহ উদ্ধারই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পাশাপাশি তিনি জানান, এই ঘটনায় আহত ১০ জনের মধ্যে তিনজনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, চারজনের অবস্থা স্থিতিশীল। বাকি তিনজনের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের গত ৩০ জুলাই মধ্যরাতে ভয়াবহ ধসে কার্যত মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয় ওয়ানাড়ের পাহাড়ি অঞ্চল। ভূমিধসের জেরে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয় গোটা এলাকা। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর পাশাপাশি উদ্ধারকাজে নামে দেশের তিন সেনাবাহিনী। কার্যত রাতারাতি চুরামালা ও মুন্ডাক্কাই গ্রামের মধ্যে বেইলি ব্রিজ তৈরি করে উদ্ধারকাজ শুরু করে সেনা। মর্মান্তিক সেই দুর্ঘটনায় সরকারি মতে, মৃতের সংখ্যা ২২৪। যদিও বেসরকারি মতে সংখ্যাটা ৪০০ পেরিয়ে যায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.