Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
air strike

যুদ্ধের প্রস্তুতি, দেশের ২৪৪ জেলায় বসছে বিমান হানার বিপদ সংকেত কেন্দ্র

নতুন প্রযুক্তি স্থাপনের পাশাপাশি সিভিল ডিফেন্সের স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ পরিকাঠামোতেও বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা বিশেষজ্ঞদের পদমর্যাদা অন্তত উইং কমান্ডার (ভারতীয় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেলের সমতুল্য) বা তার উপরে হতে হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ১৪:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ১৪:২৮

options
link
যুদ্ধের প্রস্তুতি, দেশের ২৪৪ জেলায় বসছে বিমান হানার বিপদ সংকেত কেন্দ্র zoom
দেশের ২৪৪ জেলায় বসছে বিমান হানার বিপদ সংকেত কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় সরকার দেশের ২৪৪টি সংবেদনশীল জেলায় অত্যাধুনিক এয়ার-রেড ওয়ার্নিং সিস্টেম স্থাপন করতে চলেছে। এবং এই পুরো প্রকল্পের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ভারতীয় বিমান বাহিনীর অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই আধুনিক ব্যবস্থাটি ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র এবং শত্রু বিমান-সহ সমস্ত ধরনের আকাশপথের হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর হবে।

২০২৫ সালে দেশজুড়ে পরিচালিত অপারেশন সিঁদুর-এর পর সরকারের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে দেখা যায় যে, দেশের বেশিরভাগ পুরনো সাইরেন ও বিমান হামলা সতর্কীকরণ ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়েছে। এদিকে বর্তমান যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যবহার অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় নাগরিকদের সুরক্ষায় একটি স্থায়ী ও আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা সতর্কীকরণ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

Advertisement

বর্তমান যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যবহার অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় নাগরিকদের সুরক্ষায় একটি স্থায়ী ও আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা সতর্কীকরণ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

সংবাদ সংস্থার খবর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে থাকা ফায়ার সার্ভিস, সিভিল ডিফেন্স এবং হোম গার্ডের ডিজি এই প্রকল্পটি পরিচালনা করছেন। বিমান বাহিনীর এমন প্রাক্তন কর্তাদের নিয়োগ করা হচ্ছে যাদের এয়ার ডিফেন্স অপারেশন, রাডার সিস্টেম এবং বিমান হামলা সতর্কীকরণ পদ্ধতিতে ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে। দেশের প্রধানত সীমান্তবর্তী এলাকার ২৪৪টি সংবেদনশীল জেলাকে এই আধুনিক নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। নতুন প্রযুক্তি স্থাপনের পাশাপাশি সিভিল ডিফেন্সের স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ পরিকাঠামোতেও বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা বিশেষজ্ঞদের পদমর্যাদা অন্তত উইং কমান্ডার (ভারতীয় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেলের সমতুল্য) বা তার উপরে হতে হবে।

উল্লেখ্য, দেশের রাজধানী দিল্লির আকাশসীমাকে শত্রুপক্ষের সব ধরনের বিমান, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখতে এবার সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স অস্ত্রব্যবস্থা মোতায়েন করতে চলেছে ভারত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.