সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর এনকাউন্টারে মৃত্যু হল মাওবাদী নেতা দয়ানন্দ মালাকারের। তাঁর মাথার দাম ছিল ৫০ হাজার টাকা। গ্রেপ্তার হয়েছে তার আরও দুই সহযোগী। দয়ানন্দ উত্তর বিহারের কেন্দ্রীয় জোনাল কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ১৬টিরও বেশি ফৌজদারি মামলা চলছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
বুধবার সন্ধ্যায় গোপন সূত্রে বিহার পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর কাছে খবর আসে, বেগুসরাইতে লুকিয়ে রয়েছে দয়ানন্দ এবং তাঁর সঙ্গীরা। এরপরই এসটিএফ এবং বেগুসরাই পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। নিরাপত্তাকর্মীদের বড় অভিযানে কোণঠাসা হয়ে পড়ে তারা। পালাতে গেলে দয়ানন্দ এবং তার সঙ্গীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। নিরাপত্তাকর্মীদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে তারা। পালটা জবাব দেয় বাহিনীও। দীর্ঘক্ষণ দু’পক্ষের গুলির লড়াই চলার পর পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন দয়ানন্দ। তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতলে ভর্তি করানো হয়। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশে সূত্রে খবর, দয়ানন্দের দুই সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি ইনসাস রাইফেল, একটি দেশি বন্দুক এবং ২৫টি তাজা কার্তুজ। তবে এই অভিযানে কোনও পুলিশকর্মী আহত হননি বলে জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (অপারেশনস) কুন্দন কৃষ্ণান বলেন, “বেগুসরাইয়ের তেঘরা থানার অন্তর্গত নোনপুর গ্রামে এনকাউন্টারের ঘটনাটি ঘটেছে। খুন, বিস্ফোরক এবং অস্ত্র আইনের অধীনে ১৬টিরও বেশি ফৌজদারি মামলা চলছিল দয়ানন্দের বিরুদ্ধে।”
সর্বশেষ খবর
-
অসুস্থ হয়ে দিল্লি এইমসে ভর্তি বিমান বসু, কী জানাল বামফ্রন্ট রাজ্য নেতৃত্ব?
-
হাওড়ায় বাড়ির সামনে জমা জলে উদ্ধার ব্যক্তির দেহ, তদন্তকারী দল পাঠালেন মন্ত্রী, আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস
-
আচমকা অসুস্থ বুদ্ধদেবজায়া মীরা ভট্টাচার্য, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
-
বাবাকে ‘টার্গেট’ ভেবে ঘরে ঢুকে ছেলেকে খুন! যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল হাওড়া আদালত
-
অভয়া মামলা থেকে নিস্তার নেই! তোলাবাজিতে জামিন হলেও জেলেই প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব