Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Wandhama Massacre

সেনার পোশাক পরে জঙ্গিদের হত্যালীলা! ২৩ কাশ্মীরি পণ্ডিত নিধনের ২৮ বছর পর ফের শুরু তদন্ত

১৯৯৮ সালে সাধারণতন্ত্র দিবসের ঠিক আগের রাতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী থাকে গান্দেরবাল জেলার ওয়ানধামা। ভারতীয় সেনার পোশাক পরে বাড়ির দোরগোড়ায় হাজির হয় লস্কর-ই-তইবা এবং হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গিরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৪:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৪:৫৫

options
link
সেনার পোশাক পরে জঙ্গিদের হত্যালীলা! ২৩ কাশ্মীরি পণ্ডিত নিধনের ২৮ বছর পর ফের শুরু তদন্ত zoom
১৯৯৮ সালের ওয়ানধামা হত্যাকাণ্ডে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল গোটা কাশ্মীর। ফাইল ছবি।
Advertisement

সেনার পোশাক পরে নির্বিচারে হত্যালীলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৩ জন কাশ্মীরি পণ্ডিত। ১৯৯৮ সালের ওয়ানধামা হত্যাকাণ্ডে (Wandhama Massacre) আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল গোটা কাশ্মীর। এবার সেই ঘটনায় ফের তদন্ত শুরু করছে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগ এসআইএ। সূত্রের খবর, গত কয়েকদিন ধরে ওয়ানধামা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। তারপরই এসআইএ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ফের শুরু হবে।

১৯৯৮ সালে সাধারণতন্ত্র দিবসের ঠিক আগের রাতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী থাকে গান্দেরবাল জেলার ওয়ানধামা। ভারতীয় সেনার পোশাক পরে বাড়ির দোরগোড়ায় হাজির হয় লস্কর-ই-তইবা এবং হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গিরা। বেছে বেছে খুন করা হয় কাশ্মিরী পণ্ডিতদের। গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে যায় ২৩টি প্রাণ। মৃতদের মধ্যে ছিলেন ৯ মহিলা এবং চার শিশু। মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু হয়। এবার নতুন করে শুরু হবে এই ঘটনার তদন্ত।

Advertisement

জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে খবর, ওয়ানধামা হত্যাকাণ্ডে নিহত বিজেপি নেতা টিকা লাল টাপলু হত্যার সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকটি জায়গায় সম্প্রতি তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যেসব জঙ্গিদের যোগ ছিল আপাতত তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। হিংসার নেপথ্যে কাদের কী ভূমিকা ছিল সেসবও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ১৯৮০-৯০ জুড়ে উপত্যকায় আক্রান্ত হয়েছিলেন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। সেই ভয়াল অতীতের ‘হিসাব’ করতে চাইছে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগ।

বছরখানেক আগেই সরলা ভাট নামের কাশ্মীরের এক নার্সকে খুন ও ধর্ষণ মামলায় উপত্যকাজুড়ে তল্লাশি শুরু করেছিল এসআইএ। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেকেএলএফের প্রাক্তন নেতাদের ঠিকানায় তল্লাশি হয়েছে। বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন হুরিয়ত কনফারেন্সের নেতা ইয়াসিন মালিকের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। লেখক সর্বানন্দ কউল প্রেমী এবং তাঁর পুত্রের হত্যাতেও ফের তদন্ত শুরু হয়েছে। বিচারপতি নীলকান্ত গাঞ্জু হত্যাতেও তদন্ত আবার শুরু করছে এসআইএ। উল্লেখ্য, কেন্দ্রের তরফে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ঘরে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে। তার মধ্যেই হিংসার অতীতের নিষ্পত্তিতে নামল জম্মু-কাশ্মীর সরকার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.