Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Vijay Mallya

‘আমার তো ১৪,১০০ কোটি উদ্ধার হয়েছে’, সুভাষ চন্দ্রের পথে ঋণ মকুব চাইছেন মালিয়াও!

সদ্যই ঋণখেলাপি মামলায় বিরাট স্বস্তি পেয়েছেন জি গ্রুপের প্রাক্তন কর্ণধার তথা প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ সুভাষ চন্দ্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৫:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৫:৫০

options
link
‘আমার তো ১৪,১০০ কোটি উদ্ধার হয়েছে’, সুভাষ চন্দ্রের পথে ঋণ মকুব চাইছেন মালিয়াও! zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

ঋণখেলাপি মামলায় বিরাট স্বস্তি পেয়েছেন জি গ্রুপের প্রাক্তন কর্ণধার তথা প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ সুভাষ চন্দ্র। সেই পথ ধরে কি স্বস্তি চাইছেন বিজয় মালিয়াও? সুভাষ চন্দ্রের বিভিন্ন সংস্থার ২২ হাজার কোটি টাকার ঋণ ৬.৫ কোটি টাকার বিনিময়ে মকুব হয়েছে, এই খবরে যেভাবে খোঁচা দিয়েছেন পলাতক ঋণখেলাপি, তাতে অন্তত সেরকমই মনে হচ্ছে। সুভাষ চন্দ্রকে নিজের ‘বন্ধু’ বলে কটাক্ষের ছলে ‘শুভেচ্ছা’ জানিয়েছেন বিজয় মালিয়া। একই সঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, আমার কী অপরাধ?

এক্স হ্যান্ডলে বিজয় মালিয়া (Vijay Mallya) লিখেছেন, “এ খবর সত্যি হলে আমার বন্ধু সুভাষকে আমার অভিনন্দন। এদিকে ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্ক এবং সরকার স্বীকার করেছে আমার মাত্র ৬,২০৩ কোটি টাকার ঋণের বিপরীতে ১৪,১০০ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে। আরও অনেক ঋণগ্রহীতা তাঁদের মোট ঋণের সামান্য অংশ দিয়েই নিষ্পত্তি করেছেন। এটাই সম্ভবত ভারতীয় বিচারব্যবস্থায় ঋণ নিস্পত্তির প্রক্রিয়া। এতে সংবাদমাধ্যমেরও কোনও প্রশ্ন নেই।” বস্তুত অভিনন্দনের আড়ালে তীব্র কটাক্ষ ধরা পড়েছে মালিয়ার পোস্টে। ঘুরিয়ে তাঁর প্রশ্ন, একদিকে যখন মোট ঋণের প্রায় দ্বিগুণ উদ্ধার হওয়ার পরও তাঁকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না, সেখানে সামান্য অর্থ দিয়ে একজনের এত বড় ঋণ মকুব হল কীভাবে?

Advertisement

বস্তুত, একদিন আগেই ন্যাশনাল কোম্পানি ল’ ট্রাইব্যুনাল ঋণ মকুব মামলায় বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন সুভাষচন্দ্র। তাঁর বিভিন্ন সংস্থার নামের পাশে সব মিলিয়ে ঋণ রয়েছে ২২ হাজার ৬ কোটি টাকা। এবং সেই ঋণ মেটাতে সংস্থাগুলি অপারগ। ওই ঋণগুলির গ্যারান্টার ছিলেন সুভাষ চন্দ্র। তবে ওই বিপুল ঋণ মেটাতে না পারলেও প্রাক্তন বিজেপি সমর্থিত সাংসদকে খুব একটা সমস্যা পড়তে হচ্ছে না। বরং অতি সস্তায় সেই ঋণ মেটানোর ব্যবস্থা তাঁকে করে দিয়েছে কোম্পানি ল’ ট্রাইব্যুনাল। ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে মাত্র সাড়ে ৬ কোটি টাকা মেটালেই ওই ঋণের দায় থেকে মুক্ত হবেন তিনি।

যদিও সুভাষ বলছেন, ২২ হাজার কোটি নয় তাঁর ঋণের অঙ্কটা আসলে চার হাজার কোটির কাছাকাছি। তাঁর দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ৪৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। একাধিক সংস্থা বিক্রি করে এবং অন্যান্য নানা উপায়ে সেই ঋণের প্রায় ৯০ শতাংশ শোধ করে দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। বাকি চার হাজার কোটির ঋণ নিয়ে ন্যাশনাল কোম্পানি ল’ ট্রাইব্যুনাল হস্তক্ষেপ করেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.