এগিয়ে আসার সম্ভাবনা নেই। ২০২৭ সালে দেশের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি-মার্চে সম্ভাবনা কার্যত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পাঞ্জাব, গোয়া এবং মণিপুর-এই পাঁচ রাজ্যেই আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিও ইতিমধ্যে জোরকদমে এগোচ্ছে।
ভোট প্রস্তুতির জন্যই উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, গোয়া এবং উত্তরাখণ্ডের কিছু এলাকায় জনগণনার কাজ এগিয়ে এনে ২০২৬ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৪ জানুয়ারির মধ্যে করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। অন্যদিকে মণিপুরে জনগণনার প্রথম পর্যায়ের কাজ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে জনগণনা ও বিধানসভা নির্বাচনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি একই সময়ে হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমেছে।
আরও পড়ুন:
পাঁচ রাজ্যের মধ্যে মণিপুর বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে সবচেয়ে আগে-২০২৭ সালের ১৩ মার্চ। এরপর গোয়ার বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ১৪ মার্চ, পাঞ্জাবের ১৬ মার্চ এবং উত্তরাখণ্ডের ২৮ মার্চ। উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ২২ মে। ফলে নির্বাচন কমিশনকে সাংবিধানিক সময়সীমার মধ্যে ভোটপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশের বিশাল ভৌগোলিক এলাকা ও বিপুল ভোটার সংখ্যার কারণে সেখানে একাধিক দফায় ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভোটের চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। সংবাদসূত্র অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিক সূচি ঘোষণা করতে পারে। এই পাঁচ রাজ্যের মধ্যে ৪-টিতে ক্ষমতায় বিজেপি। একটি রাজ্যে আপ ক্ষমতায়। তবে গোয়া, মণিপুর, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতারা সম্মুখীন গেরুয়া শিবির। পাঞ্জাবে আবার আপ চ্যালেঞ্জের মুখে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে পাঁচ রাজ্যের চারটিতেই প্রধান চ্যালেঞ্জার কংগ্রেস।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন