Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Uttar Pradesh

সম্ভলে সরকারি জমিতে মসজিদ-মাদ্রাসা! বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দিল যোগী প্রশাসন

এদিন বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধেও অভিযান চালায় উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ১৭:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ১৭:১৪

options
link
সম্ভলে সরকারি জমিতে মসজিদ-মাদ্রাসা! বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দিল যোগী প্রশাসন zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার সম্ভলে সরকারি জমি জবরদখলে করে তৈরি হওয়া মসজিদ, মাদ্রাসা বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দিল যোগী আদিত্যনাথ প্রশাসন। দীপা সরাই এলাকায় রবিবার গভীর রাতে একাধিক গ্রামে অভিযান চালানো হয়। একাধিক মসজিদ, মাদ্রাসা-সহ যাবতীয় অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দেয় প্রশাসন।

সম্ভলের শাহি মসজিদ মোগল সম্রাট বাবরের আমলে হরিহর মন্দির ভেঙে তৈরি হয়েছিল, এই দাবিকে কেন্দ্র করে মামলা চলছে আদালতে। এর জেরে গত বছর হিংসা ছড়ায় এলাকায়। তার মধ্যেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করে ‘অবৈধ’ মসজিদ, মাদ্রাসা গুঁড়িয়ে দিল যোগী প্রশাসন। জানা গিয়েছে, অনেকেই প্রশাসন পৌঁছানোর আগে নিজেরাই অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দিয়েছে। এই ঘটনাকে আইনের শাসনের সাফল্য বলেই মনে করছেন স্থানীয় প্রশাসনের আধিকারিকরা।

Advertisement

উল্লেখ্য, এদিন বিদ্যুৎ চুরির বিরুদ্ধেও অভিযান চালিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীরা। গোটা অপারেশনের নেতৃত্ব দেন সম্ভলের জেলাশাসক রাজেন্দ্র পেনসিয়া এবং এসপি কৃষ্ণ কুমার বিষ্ণোই। উল্লেখ্য, চলতি বছরে সম্ভলে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার পর বড় পরিসরে ধড়পাকড় শুরু করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। চলেছে হিংসায় অভিযুক্তদের বাড়িতে বুলডোজার অভিযান। এর মধ্যেই স্থানীয় অবৈধ নির্মাণ মসজিদ-মাদ্রাসা ভেঙে দিল প্রশাসন।

এদিকে শাহি মসজিদ মোগল সম্রাট বাবরের আমলে হরিহর মন্দির ভেঙে তৈরি হয়েছে, হিন্দু পক্ষের এই দাবির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে শাহি মসজিদ কমিটি। তাদের দাবি, ১৯৯১ সালের উপাসনাস্থল (বিশেষ ব্যবস্থা) আইনে স্পষ্ট বলা হয়েছে কোনও মন্দির-মসজিদ বা গির্জার চরিত্র পাল্টানো যাবে না। ১৯৪৭-এ স্বাধীনতার সময় যেখানে যা ছিল, তেমনটাই রাখতে হবে। দেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র বজায় রাখতে তৈরি আইনে শুধুমাত্র অযোধ্যার রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদকে এই আওতার বাইরে রাখা হয়েছিল। অর্থাৎ, স্বাধীনতার আগে কোনও মন্দির ভেঙে মসজিদ হয়ে থাকলেও এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে, সেখানে মসজিদই থাকবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.