ছোট থেকে একসঙ্গে বেড়ে ওঠা। একই স্কুলে পড়াশোনা। একে-অপরের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার সঙ্গী দু’জনেই। এবার একসঙ্গে চরম সিদ্ধান্ত নিল দুই বান্ধবী! একসঙ্গে বিষ খেলেন দু’জনেই। একজন বেঁচে গেলেও, মৃত্য হয় আরেক জনের।
উত্তরপ্রদেশের ভদোহী জেলার বাসিন্দা ১৮ বছর বয়সি কবিতা এবং ১৯ বছর বয়সি সাধনা সেই ছোটবেলার বন্ধু। পরিবারের লোকজন দু’জনকেই উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় কবিতা মারা যান হাসপাতালেই, তবে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে আপাতত স্থিতিশীল সাধনা। পুলিশ সূত্রে খবর, সালফাস ট্যাবলেট খেয়েছিলেন তাঁরা। তাতে প্রায় ৫৬% অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড থাকে, যা মানুব শরীরের জন্য অত্যন্ত বিষাক্ত।
আরও পড়ুন:
পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা ছোটবেলা থেকেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। দশম শ্রেণি পর্যন্ত একসঙ্গে পড়াশোনা করেছিলেন। তারা নিয়মিত একে অপরের সঙ্গে নিজেদের নিজেদের সমস্যার কথা আলোচনা করতেন। সাধনা ও তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানিয়েছেন, দু’মাস আগে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। স্বামীকে পছন্দ না হওয়ায় গত এক মাস ধরে সে তার বাপের বাড়িতেই থাকছিল। মানসিক চাপে ছিলেন কবিতাও। অভিযোগ, তাঁ প্রেমের সম্পর্ক পরিবার মেনে নেয়নি।
পুলিশ জানতে পারে, শুক্রবার ওই দুই বান্ধবী বাজার থেকে ‘সালফস’ ট্যাবলেট কিনেছিলেন। এরপর তারা সাধনার বাড়িতে ফিরে আসেন, সেখানে দু’জনে দুটি ট্যাবলেট খেয়েছিলেন। পরদিন সন্ধ্যায় সাধনার বাবা-মা বাড়ি ফিরে তাঁদের দুজনকে অচৈতন্য অবস্থায় দেখেন। তাঁরা কবিতার পরিবারকে বিষয়টি জানান। দু’জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, কবিতার শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তাঁকে বারাণসীতে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সাধনার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। সার্কেল অফিসার সুমিত ত্রিপাঠী জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের জন্য কবিতার মৃতদেহ পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মহারাষ্ট্রের পর দিল্লি, আইফোনের ইএমআই দিতে না পারায় যমুনায় ঝাঁপ নৃত্যশিল্পীর! তারপর…
-
‘টিম ইন্ডিয়ায় তো আর ডাক পাব না!’ চারবার আইপিএল জিতেও অভিমানে অবসর তারকা ক্রিকেটারের
-
দেশের সেবা করেও মিলছে না প্রাপ্য! এবার যন্তর মন্তরে অনশনে আধাসেনার অবসরপ্রাপ্ত জওয়ানরা
-
বিচ্ছেদের পিছনে ওয়েডিং ফটোগ্রাফাররা! বিস্ফোরক দাবি জ্যোতিষীর, সাবধান হোন এখনই
-
বিরিয়ানি থেকে সুটকেস! দেহ টুকরো টুকরো করে নানাভাবে পাচার, খুনের তদন্তে হাড়হিম তথ্য