সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ট্রাক্টরকে রাস্তা ছাড়েনি মোটরবাইক। অতি সামান্য এই ঘটনায় বাইক আরোহী তিন জনকে গুলিতে ঝাঁজরা করে দিল ট্রাক্টর সওয়ারিরা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের ফতেহপুর জেলায়। ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে কৃষকনেতা পাপ্পু সিং, তাঁর পুত্র অভয় সিং ও পাপ্পুর ভাই রিঙ্কু সিংয়ের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে এলাকার প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে।
প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার সকালে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটে ফতেহপুরের হাতগাম থানা এলাকার তাহিরাপুর মোড়ের কাছে। এদিন ভাই ও ছেলে সঙ্গে নিয়ে বাইকে করে কোথাও যাচ্ছিলেন পাপ্পু সিং। ওই একই রাস্তা ধরে ট্রাক্টরে করে আসছিলেন এলাকার প্রাক্তন প্রধান মন্নু সিং ও তাঁর সহযোগীরা। অভিযোগ, ওই ট্রাক্টরকে রাস্তা না ছাড়ার অভিযোগে রাস্তাতেই পাপ্পুর সঙ্গে বচসা বাধে মন্নুর। সেই সময় হঠাৎ বন্দুক নিয়ে বাইক আরোহীদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়ে অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তিনজনের। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো ফুঁসে ওঠেন এলাকাবাসী। পুলিশ দেহ উদ্ধার করতে এলে দেহ আটকে অভিযুক্ত মন্নু ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সরব হন গ্রামবাসীরা। ব্যাপক ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় পুলিশকে।
এদিকে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, পাপ্পু সিংয়ের মা রামদুরালি সিং বর্তমানে ওই এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান। এই পরিবারের সঙ্গে মন্নু সিংয়ের পরিবারের বিবাদ দীর্ঘদিনের। তদন্তকারীদের অনুমান, মঙ্গলবার সকালে রাস্তার মাঝে বচসার সময় পুরনো বিবাদ থেকেই এই হামলা চালায় মন্নু। এই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মন্নু সিং-সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় গ্রামে নতুন করে যাতে অশান্তি না ঘটে তার জন্য ফতেহপুরের পুলিশ সুপার ও আশেপাশের বেশকয়েকটি থানা থেকে পুলিশবাহিনী সঙ্গে নিয়ে এলাকায় উপস্থিত হন। এলাকায় পুলিশ ক্যাম্প বসানোর পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
নেপালে ধেয়ে আসছে মৃত্যুবান! ৫ মাস আগেই সতর্ক করেছিল জোড়া রিপোর্ট, তবু কেন উপেক্ষা?
-
প্রকৃতিই তো প্রাণ! গাছে রাখি বেঁধে নজির গড়ল উলুবেড়িয়ার খুদে পড়ুয়ারা
-
৩ সপ্তাহে শেষ করতে হবে পুনর্তদন্ত, আর জি কর কাণ্ডে ডেডলাইন বেঁধে দিল হাই কোর্ট
-
বয়কট বিতর্ক ভুলে চূড়ান্ত নতুন সময়সূচি! আগামী বছরেই বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছে টিম ইন্ডিয়া?
-
‘নারীদের নোংরাভাবে দেখিয়ে টাকা কামাচ্ছে, সেন্সর ছাড় দিল কেন?’, ‘টক্সিক’ নিয়ে ক্ষিপ্ত ‘হিন্দুত্ববাদী’ আন্নামালাই